ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গা জেলায় টানা তিন দিন ধরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হিমেল হাওয়া ও কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৪ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ঘন কুয়াশা ও হিম শীতল বাতাসের কারণে সকাল থেকেই সড়কঘাটে মানুষের চলাচল কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অধিকাংশ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। তিনি বলেন, বুধবার চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লে শীতের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলায় টানা তিন দিন ধরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হিমেল হাওয়া ও কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৪ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ঘন কুয়াশা ও হিম শীতল বাতাসের কারণে সকাল থেকেই সড়কঘাটে মানুষের চলাচল কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অধিকাংশ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। তিনি বলেন, বুধবার চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লে শীতের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।