সামাজিক বন প্রশিক্ষণ ও নার্সারি কেন্দ্র চান্দিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নগরায়ণ ও শিকারিদের দাপটে এ প্রাণী বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের বিবেচনায় ১৯৯০ সালে সরকার এদের হত্যায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে। গ্রামবাসী রুহুল আমিন বলেন, এগুলো কারও কোনো ক্ষতি করে না, আমরাও এগুলোর কোনো ক্ষতি করি না। এখানে দেড় শতাধিক গুইসাপ রয়েছে। অনেকে এগুলো দেখতে আসে, ছবি তোলে। মো. অহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি কয়েক দিন আগে ১৭টি গুইসাপ একসঙ্গে বসে থাকতে দেখেছেন। আজ আটটি দেখেছেন। পথ দিয়ে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীরা গুইসাপগুলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে। গোমতা ইসহাকিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন জানায়, আমরা স্কুলে যাওয়ার পথে গুইসাপগুলোকে খালের পাড়ে বসে থাকতে দেখি। আমরা এগুলোর কোনো ক্ষতি করি না। স্থানীয় পরিবেশ সংগঠক মতিন সৈকত বলেন, এটি নিরীহ উপকারী প্রাণী। নিরাপদ আবাস থাকায় এখানে গুইসাপগুলো বসবাস করছে। এখানে খালের পাড়ে ৮-১০টি পর্যন্ত গুইসাপকে রোদ পোহাতে দেখা যায়। গুইসাপের মতো আমাদের অন্যান্য প্রাণীরও যত্ন নেওয়া উচিত। কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম মোহাম্মদ কবির বলেন, গুইসাপ প্রকৃতি, পরিবেশ ও কৃষকের বন্ধু। এরা ফসলি জমির পোকা ও ইঁদুর খেয়ে ফেলে। এগুলোর নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আমরা কাজ করব।
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের দুই দফায় ৮ দিন ছুটির সুযোগ
এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জে ছাত্রদলের মামলা
বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ টাকা
বেনজীরকে ফেরত পাঠাতে রাজি আরব আমিরাত
ভেজালে সয়লাব দেশ
কেন হঠাৎ মরক্কো থেকে স্পেনে অভিবাসীদের ঢল
পাকিস্তান থেকে গাড়ি আমদানি করবে বাংলাদেশে
ঢাকায় সন্ত্রাসে বহিরাগত শুটার
ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা: জামায়াতের কোনো কর্মীকে পরীক্ষায় পেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি
তদবিরের হাট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
-
বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক - আপডেট টাইম : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
- 74
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ





















