ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

বড় জয়ের প্রত্যাশা বিএনপির, আশাবাদী জামায়াতও

প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের ভোট ৯ এপ্রিল। এ লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা, জনসভা ও গণসংযোগ শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টায়। এই আসনে বিশাল ব্যবধানে জিততে চায় বিএনপি। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নতুন তফসিল ঘোষণার পর এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (ধানের শীষ), জামায়াতের মাসুদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) মিজানুর রহমান (কাঁচি)।

নির্বাচনী এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শেষ কয়েক দিন প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রার্থীরা। গতকাল সোমবার ঝিনাইগাতীতে বিশাল নির্বাচনী জনসভা করেছেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। অপর দিকে শ্রীবরদীতে গণমিছিল করেছেন জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ।

তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলের পক্ষে স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরাও সমানতালে মাঠে নেমেছেন। তাঁর স্ত্রী ফরিদা হক দীপা ও মেয়ে রুবাইদা হক রিমঝিম গ্রামগঞ্জে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন। ছেলে রাফিদুল হক তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে সক্রিয় রয়েছেন।

এই আসনে জামায়াতে প্রার্থী ছিলেন নুরুজ্জামান বাদল। তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদকে প্রার্থী করা হয়েছে। পুনঃ তফসিলের পর থেকে মাঠে সরব ছিলেন তিনি। ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচিতি ও সংগঠনকে কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করছেন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা সরে দাঁড়ানোয় এখন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যেই লড়াই হবে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীও মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।

মাহমুদুল হক বলেন, ‘যেহেতু বিএনপি সরকার গঠন করেছে। জনসাধারণ আমাকে বিজয়ী করলে সীমান্তবর্তী অবহেলিত মানুষের পরিবর্তনে রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটনসহ কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে কাজ করে যাব ইনশা আল্লাহ।’

অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, ‘এখানকার ভোটাররা এখন সচেতন, তাঁরা পরিবর্তন চান। চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলদারত্ব থেকে মুক্তির আশায় মানুষ জামায়াতকে বিকল্প হিসেবে দেখছেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

বড় জয়ের প্রত্যাশা বিএনপির, আশাবাদী জামায়াতও

আপডেট টাইম : ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের ভোট ৯ এপ্রিল। এ লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা, জনসভা ও গণসংযোগ শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টায়। এই আসনে বিশাল ব্যবধানে জিততে চায় বিএনপি। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নতুন তফসিল ঘোষণার পর এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (ধানের শীষ), জামায়াতের মাসুদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) মিজানুর রহমান (কাঁচি)।

নির্বাচনী এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শেষ কয়েক দিন প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রার্থীরা। গতকাল সোমবার ঝিনাইগাতীতে বিশাল নির্বাচনী জনসভা করেছেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। অপর দিকে শ্রীবরদীতে গণমিছিল করেছেন জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ।

তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলের পক্ষে স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরাও সমানতালে মাঠে নেমেছেন। তাঁর স্ত্রী ফরিদা হক দীপা ও মেয়ে রুবাইদা হক রিমঝিম গ্রামগঞ্জে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন। ছেলে রাফিদুল হক তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে সক্রিয় রয়েছেন।

এই আসনে জামায়াতে প্রার্থী ছিলেন নুরুজ্জামান বাদল। তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদকে প্রার্থী করা হয়েছে। পুনঃ তফসিলের পর থেকে মাঠে সরব ছিলেন তিনি। ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচিতি ও সংগঠনকে কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করছেন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা সরে দাঁড়ানোয় এখন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যেই লড়াই হবে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীও মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।

মাহমুদুল হক বলেন, ‘যেহেতু বিএনপি সরকার গঠন করেছে। জনসাধারণ আমাকে বিজয়ী করলে সীমান্তবর্তী অবহেলিত মানুষের পরিবর্তনে রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটনসহ কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে কাজ করে যাব ইনশা আল্লাহ।’

অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, ‘এখানকার ভোটাররা এখন সচেতন, তাঁরা পরিবর্তন চান। চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলদারত্ব থেকে মুক্তির আশায় মানুষ জামায়াতকে বিকল্প হিসেবে দেখছেন।’