ঢাকা , সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ আখতারুজ্জামানের শুনানিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হাতাহাতি ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির এক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে : অর্থমন্ত্রী প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী চিয়া সিড কখন খেলে সবচেয়ে ভালো বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হবে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে? আলোচনায় যারা

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গেল কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন চলছিল সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে, আর তারই সাথে সবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে-কে হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?

দৌড়ে যাদের নাম
বিএনপি সরকার গঠনের পরেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বিএনপির মহাসচিব ও সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হওয়ার দৌড়ে আরও কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নামও আলোচনায় রয়েছে। ৫ আগস্টের পর দেশের সঙ্কটকালীন সময়ে তিনি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেন, তাই রাষ্ট্রপতি পদে তাকেই অনেকে এগিয়ে রাখছেন।

এদিকে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনকারী সৈয়দ রেফাত আহমেদের দিকেও অনেকের সুনজর পড়েছে। পাশাপাশি আলোচনায় আছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নামও।

রাজনীতিবিদ হিসেবে বিএনপির বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুলের নাম এগিয়ে থাকলেও আলোচনায় রয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানও।

কেন গুরুত্বপূর্ণ নতুন রাষ্ট্রপতি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু একজন রাষ্ট্রপতির বিদায় নয়; এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সাংবিধানিক বাস্তবতা।

বর্তমান মেয়াদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বকালেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনকালীন সাংবিধানিক দায়িত্ব, সরকার গঠন এবং সংসদ আহ্বানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার পাশাপাশি সরকার, বিরোধী দল ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় করেও কাজ করতে হবে।

সরকারের এক প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাজনীতিবিদ, বিচারপতি বা রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিরাই দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় রাজনীতির বাইরে গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ কোনো প্রশাসনিক ব্যক্তিকেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে? আলোচনায় যারা

আপডেট টাইম : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গেল কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন চলছিল সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে, আর তারই সাথে সবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে-কে হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?

দৌড়ে যাদের নাম
বিএনপি সরকার গঠনের পরেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বিএনপির মহাসচিব ও সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হওয়ার দৌড়ে আরও কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নামও আলোচনায় রয়েছে। ৫ আগস্টের পর দেশের সঙ্কটকালীন সময়ে তিনি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেন, তাই রাষ্ট্রপতি পদে তাকেই অনেকে এগিয়ে রাখছেন।

এদিকে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনকারী সৈয়দ রেফাত আহমেদের দিকেও অনেকের সুনজর পড়েছে। পাশাপাশি আলোচনায় আছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নামও।

রাজনীতিবিদ হিসেবে বিএনপির বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুলের নাম এগিয়ে থাকলেও আলোচনায় রয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানও।

কেন গুরুত্বপূর্ণ নতুন রাষ্ট্রপতি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু একজন রাষ্ট্রপতির বিদায় নয়; এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সাংবিধানিক বাস্তবতা।

বর্তমান মেয়াদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বকালেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনকালীন সাংবিধানিক দায়িত্ব, সরকার গঠন এবং সংসদ আহ্বানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার পাশাপাশি সরকার, বিরোধী দল ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় করেও কাজ করতে হবে।

সরকারের এক প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাজনীতিবিদ, বিচারপতি বা রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিরাই দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় রাজনীতির বাইরে গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ কোনো প্রশাসনিক ব্যক্তিকেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।