ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার সরকারের সাহসী সিদ্ধান্ত, দরকার প্রশাসন ঢেলে সাজানো সিটি করপোরেশনের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ গঠন : আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠক: যুদ্ধের নতুন ইঙ্গিত নাকি শান্তির বার্তা সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দাবি ইসলামী আন্দোলনের শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নে নতুন নীতিমালা বিতর্কের মাঝে বিউটি রানী পালের পাশে দাঁড়ালেন আসিফ আকবর ‘এটা নিয়ে কোনো কথা নেই’ সেই শিক্ষিকার রিলস প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নে নতুন নীতিমালা

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি, বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

গত ২৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা এ নীতিমালায় সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বদলি সংক্রান্ত আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে যেকোনো পদে বা কর্মস্থলে বদলি কিংবা পদায়ন করতে পারবে।

নতুন নিয়মে নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা চাকরির দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। অন্যদিকে অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একই কর্মস্থলে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন না করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনায় দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেও আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত সরকারের এখতিয়ারে থাকবে।

নীতিমালায় চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। স্বামী বা স্ত্রী উভয়েই চাকরিজীবী হলে তাদের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলি বা পদায়নের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার এক বছর আগে কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা সুবিধাজনক স্থানে বদলির আবেদন করলে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।

বদলির আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত জটিলতা, আবেদনকারী বা পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তবে অসম্পূর্ণ তথ্য সংবলিত আবেদন কিংবা হালনাগাদ ব্যক্তিগত তথ্য (পিডিএস) না থাকলে কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। একই সঙ্গে বিগত তিন বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার চাকরির রেকর্ড সন্তোষজনক হতে হবে।

বদলি আবেদনের যাচাইয়ে তিন স্তরের কমিটি

নীতিমালায় বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তিন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলভিত্তিক কমিটি কাজ করবে।

সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পরিচালক এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা), সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ) সদস্য হিসেবে থাকবেন। সহকারী পরিচালক (কলেজ) কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

এই কমিটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে বদলি বা পদায়নের আবেদন যাচাই করে প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করবে।

সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি থাকবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, কলেজ-২ শাখার উপসচিব এবং সহকারী পরিচালক (কলেজ) সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন।

এই কমিটি ঢাকা মহানগর, দপ্তর ও সংস্থার পদ ছাড়া সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই করবে।

অন্যদিকে সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার সব পদ এবং সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে বদলি বা পদায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির সভাপতি থাকবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিব। কমিটিতে অতিরিক্ত সচিব (কলেজ), যুগ্মসচিব (কলেজ-১ অধিশাখা) সদস্য হিসেবে এবং উপসচিব (কলেজ-১/২) কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের শূন্য পদে অগ্রাধিকার

নীতিমালায় বলা হয়েছে, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজগুলোর শূন্য পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হবে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সংকট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিভাগীয় মামলা থাকলে আবেদন বিবেচনা নয়

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলে অথবা অভিযোগ তদন্তাধীন থাকলে তার বদলি বা পদায়নের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

এ ছাড়া সংযুক্তি বা ওএসডি করার ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রেষণাদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন নীতিমালা জারির সঙ্গে সঙ্গে এ সংক্রান্ত আগের সব নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নে নতুন নীতিমালা

আপডেট টাইম : ৩ ঘন্টা আগে

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি, বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

গত ২৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে জারি করা এ নীতিমালায় সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বদলি সংক্রান্ত আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে যেকোনো পদে বা কর্মস্থলে বদলি কিংবা পদায়ন করতে পারবে।

নতুন নিয়মে নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা চাকরির দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। অন্যদিকে অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একই কর্মস্থলে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন না করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনায় দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেও আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত সরকারের এখতিয়ারে থাকবে।

নীতিমালায় চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। স্বামী বা স্ত্রী উভয়েই চাকরিজীবী হলে তাদের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলি বা পদায়নের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার এক বছর আগে কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা সুবিধাজনক স্থানে বদলির আবেদন করলে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।

বদলির আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত জটিলতা, আবেদনকারী বা পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তবে অসম্পূর্ণ তথ্য সংবলিত আবেদন কিংবা হালনাগাদ ব্যক্তিগত তথ্য (পিডিএস) না থাকলে কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। একই সঙ্গে বিগত তিন বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার চাকরির রেকর্ড সন্তোষজনক হতে হবে।

বদলি আবেদনের যাচাইয়ে তিন স্তরের কমিটি

নীতিমালায় বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তিন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলভিত্তিক কমিটি কাজ করবে।

সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পরিচালক এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা), সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ) সদস্য হিসেবে থাকবেন। সহকারী পরিচালক (কলেজ) কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

এই কমিটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে বদলি বা পদায়নের আবেদন যাচাই করে প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করবে।

সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি থাকবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, কলেজ-২ শাখার উপসচিব এবং সহকারী পরিচালক (কলেজ) সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন।

এই কমিটি ঢাকা মহানগর, দপ্তর ও সংস্থার পদ ছাড়া সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই করবে।

অন্যদিকে সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার সব পদ এবং সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে বদলি বা পদায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির সভাপতি থাকবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিব। কমিটিতে অতিরিক্ত সচিব (কলেজ), যুগ্মসচিব (কলেজ-১ অধিশাখা) সদস্য হিসেবে এবং উপসচিব (কলেজ-১/২) কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের শূন্য পদে অগ্রাধিকার

নীতিমালায় বলা হয়েছে, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজগুলোর শূন্য পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হবে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সংকট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিভাগীয় মামলা থাকলে আবেদন বিবেচনা নয়

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলে অথবা অভিযোগ তদন্তাধীন থাকলে তার বদলি বা পদায়নের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

এ ছাড়া সংযুক্তি বা ওএসডি করার ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রেষণাদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন নীতিমালা জারির সঙ্গে সঙ্গে এ সংক্রান্ত আগের সব নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।