ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদে আছড়ে পড়েছে ৪ হাজার কেজির রকেট

স্পেসএক্সের একটি ফ্যালকন-৯ রকেটের উপরের ধাপ (আপার স্টেজ) চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি চাঁদের আইনস্টাইন ক্রেটার -এর কাছাকাছি এলাকায় আঘাত হেনেছে, যা পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান চাঁদের আলোকিত অংশে অবস্থিত। খবর বিবিসির।

রকেটটি গত বছর উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ৪ হাজার কেজি ওজনের আপার স্টেজটি মহাকাশে বিচ্ছিন্ন করা হলেও পরে সেটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চাঁদের দিকে ধাবিত হয়ে শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষের পথে চলে যায়।

বিশেষজ্ঞ টেলিস্কোপের মাধ্যমে এ সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার করা সম্ভব নয়, কারণ সংঘর্ষস্থলের তাৎক্ষণিক লাইভ ছবি পাওয়া যায়নি।

নাসার মুখপাত্র জিমি রাসেল জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষে পৃথিবীর কোনো ঝুঁকি নেই । বরং এ ঘটনা থেকে চাঁদসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং মহাকাশে বিচরণরত বস্তুর গতিপথ নির্ণয়ের প্রযুক্তি আরও উন্নত করতে কাজ করবে নাসা।

অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ম্যাট বোথওয়েল মহাকাশে ক্রমবর্ধমান স্পেস ডেব্রিস (মহাকাশ বর্জ্য) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর কক্ষপথ এতটাই ভিড়পূর্ণ হয়ে উঠতে পারে যে কয়েক দশকের মধ্যে নিরাপদে মহাকাশযান পাঠানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চাঁদে আছড়ে পড়েছে ৪ হাজার কেজির রকেট

আপডেট টাইম : ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

স্পেসএক্সের একটি ফ্যালকন-৯ রকেটের উপরের ধাপ (আপার স্টেজ) চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি চাঁদের আইনস্টাইন ক্রেটার -এর কাছাকাছি এলাকায় আঘাত হেনেছে, যা পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান চাঁদের আলোকিত অংশে অবস্থিত। খবর বিবিসির।

রকেটটি গত বছর উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ৪ হাজার কেজি ওজনের আপার স্টেজটি মহাকাশে বিচ্ছিন্ন করা হলেও পরে সেটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চাঁদের দিকে ধাবিত হয়ে শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষের পথে চলে যায়।

বিশেষজ্ঞ টেলিস্কোপের মাধ্যমে এ সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার করা সম্ভব নয়, কারণ সংঘর্ষস্থলের তাৎক্ষণিক লাইভ ছবি পাওয়া যায়নি।

নাসার মুখপাত্র জিমি রাসেল জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষে পৃথিবীর কোনো ঝুঁকি নেই । বরং এ ঘটনা থেকে চাঁদসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং মহাকাশে বিচরণরত বস্তুর গতিপথ নির্ণয়ের প্রযুক্তি আরও উন্নত করতে কাজ করবে নাসা।

অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ম্যাট বোথওয়েল মহাকাশে ক্রমবর্ধমান স্পেস ডেব্রিস (মহাকাশ বর্জ্য) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর কক্ষপথ এতটাই ভিড়পূর্ণ হয়ে উঠতে পারে যে কয়েক দশকের মধ্যে নিরাপদে মহাকাশযান পাঠানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

সূত্র: বিবিসি