ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা লং মার্চ বন্ধ করে সংলাপে বসার আহ্বান শাহবাজ শরীফের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এক বছরের মধ্যে লক্ষ্য ৫ হাজার মেগাওয়াট ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক ব্যবহারে দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীরাই যার সন্তান, কল্যাণী তাদের স্বপ্নসারথি ভিকির পুলসিরাতে মেহজাবীন এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে বুধবার চুক্তি সই শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি, আলোচনায় যারা ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএমসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ, কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব

গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

বিশেষজ্ঞরা গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের খাবারের তালিকায় নিয়মিত মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেন। এসময় মায়ের সঙ্গে সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও বৃদ্ধির দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। তাই খাবারের তালিকায় অন্যান্য উপকারী খাবারের পাশপাশি ফলমূল রাখাও জরুরি। মৌসুমী ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো উপকারী?

তরমুজ এবং বাঙ্গির মতো ফলে পানির পরিমাণ পরিমাণ বেশি থাকায় তা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, অন্যদিকে আপেলে ফাইবার থাকে এবং এটি আয়রনের একটি উৎস। পীচ, প্লাম, কিউই এবং লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরকে আয়রন শোষণ করতেও সাহায্য করে। পেয়ারাও ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস।

যেসব নারী পায়ের পেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য কলা উপকারী হতে পারে, অন্যদিকে আমে ভিটামিন এ এবং সি পাওয়া যায়। অ্যাভোকাডো তার ফাইবার এবং ভালো ফ্যাটের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। যারা রেস্টলেস লেগ সিনড্রোমে ভুগছেন তাদের জন্য আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার অনেকটা উপকারী।

তবে ফলের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের জন্য। হবু মাকে সারাদিন ধরে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে। এছাড়াও প্রতিটি খাবারের পর ১০ মিনিটের হাঁটা দারুণ কাজ করে।

আম, তরমুজ, কলা, আঙুর এবং সফেদার মতো চিনি-সমৃদ্ধ ফল রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই আপনার যদি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকে, তবে কী পরিমাণে এই ফলগুলো খাওয়া যাবে সে বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার ফল খাওয়াই সর্বোত্তম।

গর্ভাবস্থায় পেঁপে এবং আনারস নিয়েও অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে এবং গর্ভপাতের ভয়ে অনেক নারীই এই ফলগুলো এড়িয়ে চলেন। পরিবার বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া খাদ্য-সংক্রান্ত পরামর্শ অন্ধভাবে অনুসরণ না করে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

আপডেট টাইম : ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশেষজ্ঞরা গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের খাবারের তালিকায় নিয়মিত মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেন। এসময় মায়ের সঙ্গে সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও বৃদ্ধির দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। তাই খাবারের তালিকায় অন্যান্য উপকারী খাবারের পাশপাশি ফলমূল রাখাও জরুরি। মৌসুমী ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো উপকারী?

তরমুজ এবং বাঙ্গির মতো ফলে পানির পরিমাণ পরিমাণ বেশি থাকায় তা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, অন্যদিকে আপেলে ফাইবার থাকে এবং এটি আয়রনের একটি উৎস। পীচ, প্লাম, কিউই এবং লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরকে আয়রন শোষণ করতেও সাহায্য করে। পেয়ারাও ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস।

যেসব নারী পায়ের পেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য কলা উপকারী হতে পারে, অন্যদিকে আমে ভিটামিন এ এবং সি পাওয়া যায়। অ্যাভোকাডো তার ফাইবার এবং ভালো ফ্যাটের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। যারা রেস্টলেস লেগ সিনড্রোমে ভুগছেন তাদের জন্য আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার অনেকটা উপকারী।

তবে ফলের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের জন্য। হবু মাকে সারাদিন ধরে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে। এছাড়াও প্রতিটি খাবারের পর ১০ মিনিটের হাঁটা দারুণ কাজ করে।

আম, তরমুজ, কলা, আঙুর এবং সফেদার মতো চিনি-সমৃদ্ধ ফল রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই আপনার যদি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকে, তবে কী পরিমাণে এই ফলগুলো খাওয়া যাবে সে বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার ফল খাওয়াই সর্বোত্তম।

গর্ভাবস্থায় পেঁপে এবং আনারস নিয়েও অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে এবং গর্ভপাতের ভয়ে অনেক নারীই এই ফলগুলো এড়িয়ে চলেন। পরিবার বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া খাদ্য-সংক্রান্ত পরামর্শ অন্ধভাবে অনুসরণ না করে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।