ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’ সাত ইসলামী দলের ঐক্য গড়তে মতবিরোধ কমছে শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তনকে ক্ষমা করতে চান না পরী জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

টিকাদানে গাফিলতির কারণে হামে শিশুদের প্রাণহানি হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘদিনের গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে হামে আক্রান্ত হয়ে বহু শিশুর প্রাণহানি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, “২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরভাবে চালু না থাকা এবং ভ্যাকসিন আমদানিতে দীর্ঘসূত্রতার খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে।”

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহাখালীর কড়াইলের টিএন্ডটি খেলার মাঠে ‘দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

হামে শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং একই সঙ্গে লজ্জার বিষয়।”

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন ধাপে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এ কর্মসূচি আরো জোরদার করা হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়া আরো ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এসব টিকা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

হামে শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং একই সঙ্গে লজ্জার বিষয়।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর ধরে গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপপ্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়ালসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

টিকাদানে গাফিলতির কারণে হামে শিশুদের প্রাণহানি হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘদিনের গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে হামে আক্রান্ত হয়ে বহু শিশুর প্রাণহানি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, “২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরভাবে চালু না থাকা এবং ভ্যাকসিন আমদানিতে দীর্ঘসূত্রতার খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে।”

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহাখালীর কড়াইলের টিএন্ডটি খেলার মাঠে ‘দেশব্যাপী বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

হামে শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং একই সঙ্গে লজ্জার বিষয়।”

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন ধাপে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এ কর্মসূচি আরো জোরদার করা হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ক্যাম্পেইন থেকে বাদ পড়া আরো ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এসব টিকা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

হামে শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং একই সঙ্গে লজ্জার বিষয়।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর ধরে গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপপ্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়ালসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।