ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যার রিট শুনানি আজ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৯নং আদালতে ফেলানী হত্যা বিষয়ে ফেলানীর বাবার করা রিট মামলার শুনানি শুক্রবার। বিচারপতি রামায়ণ ও বিচাপতি অমিতাভ রায়ের যৌথ  রিট শুনানির এ দিন ধার্য রয়েছে। মামলাটি তালিকার ২৪ নম্বরে আছে।

এ মামলায় ফেলানীর বাবাকে সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন এ খবর নিশ্চিত করেছেন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাবার সঙ্গে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পার হতে গিয়ে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে প্রাণ হারান বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী। দেশ ও বিদেশে তীব্র সমালোচনার মুখে একে একে দুবার বিএসএফ তার নিজস্ব আদালতে বিচারের মুখোমুখি করে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে। কিন্তু দু’বারই খালাস পেয়ে যান অমিয় ঘোষ।

ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মে র সহায়তায় ফেলানী হত্যার বিচার ও ক্ষতিপুরণ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। পরে সুপ্রিম কোর্ট ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আবেদনটি গ্রহণ করে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি সংস্থাকে কারণে দর্শানোর নির্দেশ দেয়। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি অনন্তপুর সীমান্তে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার নং- ৯৪৭ এর কাছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে ফেলানী খাতুনের নির্মমভাবে মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বিএসএফ তার আদালতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ গঠন করে। ২ বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ বলে রায় দেন বিএসএফ এর আদালত।

তবে সেই রায় যথার্থ মনে করেনি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পুনর্বিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন। এরপর ২ জুলাই ২০১৫ বিএসএফ কোর্ট অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে আবারও নির্দোষ বলে পুনরায় রায় দেন। এ ব্যাপারে ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা মাসুমকে উচ্চ আদালতে মামলাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা ম  (মাসুম) ভারতের সুপ্রীম কোর্টে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই একটি রিট মামলা দায়ের করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যার রিট শুনানি আজ

আপডেট টাইম : ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৯নং আদালতে ফেলানী হত্যা বিষয়ে ফেলানীর বাবার করা রিট মামলার শুনানি শুক্রবার। বিচারপতি রামায়ণ ও বিচাপতি অমিতাভ রায়ের যৌথ  রিট শুনানির এ দিন ধার্য রয়েছে। মামলাটি তালিকার ২৪ নম্বরে আছে।

এ মামলায় ফেলানীর বাবাকে সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন এ খবর নিশ্চিত করেছেন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাবার সঙ্গে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পার হতে গিয়ে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে প্রাণ হারান বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী। দেশ ও বিদেশে তীব্র সমালোচনার মুখে একে একে দুবার বিএসএফ তার নিজস্ব আদালতে বিচারের মুখোমুখি করে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে। কিন্তু দু’বারই খালাস পেয়ে যান অমিয় ঘোষ।

ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মে র সহায়তায় ফেলানী হত্যার বিচার ও ক্ষতিপুরণ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। পরে সুপ্রিম কোর্ট ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আবেদনটি গ্রহণ করে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি সংস্থাকে কারণে দর্শানোর নির্দেশ দেয়। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি অনন্তপুর সীমান্তে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার নং- ৯৪৭ এর কাছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে ফেলানী খাতুনের নির্মমভাবে মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বিএসএফ তার আদালতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগ গঠন করে। ২ বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ বলে রায় দেন বিএসএফ এর আদালত।

তবে সেই রায় যথার্থ মনে করেনি বিএসএফ মহাপরিচালক। তিনি রায় পুনর্বিবেচনার আদেশ দিয়েছিলেন। এরপর ২ জুলাই ২০১৫ বিএসএফ কোর্ট অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে আবারও নির্দোষ বলে পুনরায় রায় দেন। এ ব্যাপারে ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা মাসুমকে উচ্চ আদালতে মামলাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা ম  (মাসুম) ভারতের সুপ্রীম কোর্টে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই একটি রিট মামলা দায়ের করে।