বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ তা নয়; মার খেতে হবে, মানুষকে মার খেতেই হবে।’ (মা মা হিংসী, ৫ আগস্ট ১৯১৪, ২০ শ্রাবণ ১৩২১)।
আজকের পৃথিবীর দিকে তাকালেও আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু দেখি না। মানুষকে মার খেতেই হবে, মানুষকে মার খেতেই হবে।
আমরা দেখেছি, কীভাবে ‘তোর গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে’ বলে ইরাকের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল যুক্তরাষ্ট্র আর তার মিত্ররা। ইরাককে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হলো। আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েতদের তাড়াতে তালেবানদের তৈরি করে সেই তালেবানদের হটাতে আবার আফগানিস্তানকে পোড়োভূমিতে পরিণত করা হলো। অরুন্ধতী রায় তাঁর সর্বশেষ উপন্যাসে তার বর্ণনা দিয়েছেন শ্লেষের ভাষায়, মশা যেমন করে ভনভন করে, তেমনিভাবে আফগানিস্তানের আকাশ ভরে গেল বোমারু বিমানের ভনভনানিতে। আরব বসন্তের নামে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো বহু আরব দেশ, বিশ্বমোড়লদের স্বার্থের সংঘাতে পড়ে কেবল মানুষ মরছে আর মানুষ মরছে। ভালোবাসার শহর নামে কলকাতার একটা ছবিতে পরিচালক ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী দেখিয়েছেন কীভাবে সিরিয়ার একটা হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী শহর হোমস একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো। বাংলাদেশের জয়া আহসানও অভিনয় করেছেন সেই ছবিতে। ওই ছবিতে সিরিয়ার ওই শহরের বোমাবিধ্বস্ত ভবনের প্রান্তরগুলো দেখলে বুকের ভেতরটা বিরান হয়ে যায়। আমাদের হৃদয় বিদীর্ণ হয়, মনে হয় শত শত গুলি ভেদ করে যাওয়া একটা শার্ট হয়ে গেছে আমাদের এই হৃদয়, আমাদের বোধ, আমাদের বিবেক।
এর নাম সভ্যতা! এর নাম তৃতীয় সহস্রাব্দ!
জাতিসংঘ নামের একটা প্রতিষ্ঠান না বানানো হয়েছিল পৃথিবীতে, যাতে আর কোনো দিন যুদ্ধ না হয়, শান্তি নেমে আসে, সে জন্য। এবার শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধ আন্দোলনের সংস্থাকে। পারমাণবিক বোমায় লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা আজও রয়ে গেছে। কিন্তু জাপানের দুই শহরে বোমায় নিযুত মানুষের মৃত্যুর পরে আরও কত লাখ লাখ মানুষ মারা গেল সভ্য মানুষদের চাপিয়ে দেওয়া বেখেয়ালি যুদ্ধে।
এই বিশ্বব্যবস্থা, এই জাতিসংঘ, এই মানবাধিকারের বুলি যে পরিহাস মাত্র, তার ঘটমান চলমান জ্বলন্ত উদাহরণ মিয়ানমারের জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপরে দিনের পর দিন পরিচালিত নৃশংসতা। নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন চালিয়ে মারা হয়েছে মানুষ, নৃশংসভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়ি, ধর্ষণ করা হয়েছে নারীদের, ধর্ষণ করা হয়েছে শিশুদের, গর্ভবতী নারীদের, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফসলের খেত, ধনসম্পদ, গবাদিপশু, গাছপালা। তারও আগে, বছরের পর বছর, জাতিগত সংখ্যালঘু জনগণকে তাদের নিজ দেশে চলাচলের অধিকার দেওয়া হয়নি, শিক্ষার অধিকার দেওয়া হয়নি, টিকা, ওষুধ, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে জোর করে ঠেলে দেওয়া হয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে, আর তারা যাতে ফিরে যেতে না পারে সে জন্য পুঁতে রাখা হয়েছে স্থলমাইন। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের নিজের প্রতিবেদনেই স্পষ্ট করে লেখা হয়েছে এই নৃশংসতার বিবরণ।
অথচ কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই। বিশ্ববিবেক বলতে যে একটা কথা ছিল, সেটা ঘুণে খেয়ে ফেলেছে। বড় শক্তিগুলোর নিজেদের স্বার্থই বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। চীনের স্বার্থ আছে মিয়ানমারের সঙ্গে, রাশিয়ার আছে, ভারতের আছে, আমেরিকার আছে।
একজন নয়, দুজন নয়, লাখ লাখ রোহিঙ্গা দিশেহারা। মানবতার এত বড় অবমান, মানুষের এত কষ্ট। আহা, শিশু আর নারীরা অন্ধকার রাতে নৌকায় উঠে পড়ছে প্রাণটুকু রক্ষার আকুলতায়। নৌকা ডুবে গেছে, উঠে আসছে শিশুর লাশ। শিশু আয়লানের জন্য আমরা কাঁদি। ওমরানের জন্য আমরা কাঁদি। কিন্তু রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য কাঁদবারও কেউ নেই।
বাংলাদেশ যথেষ্ট মানবিকতা দেখিয়েছে। যখন রোহিঙ্গা নারী-শিশুরা নৌকায় করে আসত আমাদের সীমান্তে, আর আমাদের সীমান্তরক্ষীরা তাদের ফেরত পাঠিয়ে দিত, তখন একবার লিখেছিলাম, কবে আমরা এত নিষ্ঠুর হলাম যে প্রাণ বাঁচাতে আসা নারী-শিশুদের আমরা ফিরিয়ে দিই। এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে অবস্থান নিয়েছেন, তা মানবিকতার দিক থেকে সঠিক, আবার রাজনৈতিকভাবেও যথাযথ। তাঁর বক্তব্যের মূল ছিল—১. নিজেরা এক বেলা কম খেয়েও আশ্রয়প্রার্থীদের আমরা খাওয়াব। ২. ওরা মিয়ানমারের নাগরিক। মিয়ানমারকে ওদের ফিরিয়ে নিতে হবে। ৩. কোনো রকমের জঙ্গি তৎপরতা প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
কিন্তু মিয়ানমারে তো ঘটনা হঠাৎ করে ঘটে যায়নি। এটা পূর্বপরিকল্পিত। রোহিঙ্গাদের সবাইকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়াই মিয়ানমারের লক্ষ্য। তারা সবাইকেই পাঠিয়ে দিতে চাইবে, আর কোনো দিনও এদের ফেরত নিতে তো চাইবেই না, এরা যাতে ফিরে না যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনেও এই ব্যাপারটা স্পষ্ট। ফলে বাংলাদেশ যদি ওদের
সাদরে স্বাগত জানায়, তাহলে মিয়ানমারের অসদুদ্দেশ্য কামিয়াব হওয়া সহজ হয়ে যায়।
আর বাংলাদেশই কীভাবেই-বা এত মানুষের ভার নেবে? আমাদের নাজুক পরিবেশ কীভাবে এত মানুষের চাপ সইবে? আর লাখ লাখ মানুষ পাহাড়ে বস্তিঘরে থাকবে, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক অধিকার, কাজ, ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা থাকবে না, চলাচলের স্বাধীনতা থাকবে না, সেটাও তো মানবিক নয়; সেটা তাই কোনো সমাধানও নয়। কাজেই মিয়ানমারকে বাধ্য করতে পারতে হবে মানবতার
বিরুদ্ধে এই অপরাধ সংঘটন বন্ধ করতে। যে ভয়াবহ অপরাধ তারা করেছে, তাদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, যেমন করে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা বনাম সার্বিয়া মন্টেনেগ্রো মামলার ক্ষেত্রে করা হয়েছিল। রোহিঙ্গারা তাদের আপন দেশে পূর্ণ মর্যাদা আর নিরাপত্তা নিয়ে ফিরে যাবে।
করতে হবে বটে, কিন্তু করবেটা কে?
দেশত্যাগী আশ্রয়সন্ধানী রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য পাঠিয়ে বিবেকের দাগ মুছে ফেলার মতো দেশ হয়তো কিছু পাওয়া যাবে। কিন্তু লাখ লাখ রোহিঙ্গার মানবাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেবে কে? যে রোহিঙ্গারা কেবল তাদের এথনিক পরিচয়ের জন্য দশকের পর দশক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত রইল; শিক্ষা, চিকিৎসা, কাজ পেল না; নৃশংস অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে মৃত্যুর শিকার হলো, ধর্ষিত হলো, উদ্বাস্তু হলো; তাদের প্রতি সংঘটিত অন্যায়ের বিচার করবেটা কে? অন্যায়কারীকে নিবৃত্ত কে করবে? অন্যায়কারীকে শাস্তি কে দেবে?
আমি কল্পনা করার চেষ্টা করি: আমি একটা রোহিঙ্গা শিশু। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আমার একটা ঘর ছিল, বাড়ি ছিল, খেত ছিল, জীবন ছিল। আমরা ওই এলাকার বাইরে যেতে পারতাম না। স্কুলে যেতাম না, হাসপাতাল চিনতাম না। টিকা পাইনি। তবু আমার বাবা ছিলেন, মা ছিলেন, ভাইবোন ছিল। আর ছিল ভয়। সেই ভয়ংকরেরা এল একদিন। এল রোহিঙ্গা মিলিটারি, এল সশস্ত্র আরও কিছু মানুষ, আমার বাবাকে হত্যা করল, মাকে ধর্ষণ করল, আর আমরা প্রাণভয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে একটা নৌকা জোগাড় করে ভাসতে শুরু করলাম অজানার উদ্দেশে। আমার কী অপরাধ? আমার জন্ম আমি বেছে নিইনি। আমি যে রোহিঙ্গা শিশু, এটা তো আমি বেছে নিইনি। এই সংকট সমাধানের কোনো আশু আশা নেই, কেউ মিয়ানমারকে বাধ্য করতে চেষ্টা করবে না, মিয়ানমার আমাকে কোনো দিনও আমার জন্মভূমিতে স্বাগত জানাবে না, বাংলাদেশও কোনো দিন আমাকে বাংলাদেশে মিশে যেতে দেবে না।
এইভাবে যখন ভাবি, তখন হতাশা এসে চেপে ধরে। শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। মানবতা, মানবাধিকার, সভ্যতা, জাতিসংঘ, গণতন্ত্র—এই ধরনের শব্দগুলোকে হাস্যকর বলে মনে হয়। মনে হয়, ওরে আশা নাই, আশা শুধু মিছে ছলনা।
কিন্তু হতাশায় হতবুদ্ধি হয়ে বসে থাকলে চলবে না। আশার কথা হলো, বাংলাদেশের তরুণেরাও যে যাঁর মতো করে রোহিঙ্গা মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। অনেক প্রবাসীকে দেখছি, তাঁরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন তহবিল সংগ্রহের জন্য, বিশ্ববিবেক জাগ্রত করার জন্য।
জানি না বিশ্ববিবেক বলে আসলে কিছু আছে কি না। যদি থেকে থাকে, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তাহলে আসুন, যে যার মতো করে সেই বিশ্ববিবেকের দরজায় কড়া নাড়ি। যে যার অবস্থানে থেকে এবং যতটা পারি, বিশ্ববাসীকে সঙ্গে নিয়ে। আজকে বোধ হয় কনসার্ট টু স্টপ জেনোসাইড ইন মিয়ানমার আয়োজনের সময় এসেছে। জাতিসংঘের সদর দপ্তর কিংবা জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর অভিমুখে বিশাল শোভাযাত্রা নিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ
ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো
চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি
প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন
এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা
অন্ধ অরণ্যে আরও কিছু রোদন
-
বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক - আপডেট টাইম : ০২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭
- 528
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ



























