ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

মানুষ যা পায় আ.লীগ এলেই পায় : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে যাতে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে, সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করছি। সে লক্ষ্যে আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। সরকারও একই কর্মসূচি পালন করছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (আজ, ২৩ জুন) দশম জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদে দেয়া অনির্ধারিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ওই কথা বলেন।

সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাবার্ষিকী উপলক্ষে অনির্ধারিত আলোচনার সূচনা করেন শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু। এরপরই প্রধানমন্ত্রী


বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘কিছু তো থাকে, সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে, সুরক্ষিত করেছে, আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এদেশের মানুষ যতটুকু পেয়েছে আওয়ামী লীগ যখন সরকারে এসেছে তখনই পেয়েছে। তা ছাড়া সবসময় জনগণ বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিনবছর ক্ষমতায় বঙ্গবন্ধু এই দেশকে গড়ে তুলেছেন। আজকে আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগ অর্জিত হয়েছে বলি। ৭ ভাগ কিন্তু জাতির পিতার আমলেই প্রথম অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। এরপর আর পারেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা বছরের পর বছর দেশ শাসন করেছে, দেশকে পিছিয়ে নেয়াই যেন ছিল তাদের একমাত্র  লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘অধিকার আদায়ে আওয়ামী লীগ বার বার নেতৃত্ব দিয়ে গেছে। প্রত্যেক আন্দোলনে বিজয় লাভ করেছে এবং জনগণের  ক্ষমতা জনগণের হাতে তুলে দিয়েছে।’

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সেই আওয়ামী লীগই এই বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতা এনে নেয়। কাজেই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলার স্বাধীনতার সাথে একটা যোগসূত্র রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

মানুষ যা পায় আ.লীগ এলেই পায় : শেখ হাসিনা

আপডেট টাইম : ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে যাতে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে, সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করছি। সে লক্ষ্যে আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। সরকারও একই কর্মসূচি পালন করছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (আজ, ২৩ জুন) দশম জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদে দেয়া অনির্ধারিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ওই কথা বলেন।

সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাবার্ষিকী উপলক্ষে অনির্ধারিত আলোচনার সূচনা করেন শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু। এরপরই প্রধানমন্ত্রী


বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘কিছু তো থাকে, সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে, সুরক্ষিত করেছে, আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এদেশের মানুষ যতটুকু পেয়েছে আওয়ামী লীগ যখন সরকারে এসেছে তখনই পেয়েছে। তা ছাড়া সবসময় জনগণ বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিনবছর ক্ষমতায় বঙ্গবন্ধু এই দেশকে গড়ে তুলেছেন। আজকে আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগ অর্জিত হয়েছে বলি। ৭ ভাগ কিন্তু জাতির পিতার আমলেই প্রথম অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। এরপর আর পারেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা বছরের পর বছর দেশ শাসন করেছে, দেশকে পিছিয়ে নেয়াই যেন ছিল তাদের একমাত্র  লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘অধিকার আদায়ে আওয়ামী লীগ বার বার নেতৃত্ব দিয়ে গেছে। প্রত্যেক আন্দোলনে বিজয় লাভ করেছে এবং জনগণের  ক্ষমতা জনগণের হাতে তুলে দিয়েছে।’

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সেই আওয়ামী লীগই এই বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতা এনে নেয়। কাজেই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলার স্বাধীনতার সাথে একটা যোগসূত্র রয়েছে।