ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

এক সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষায় বাবা-ছেলে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এ বছর তারা খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষ দিচ্ছে।

জেডিসি পরীক্ষার্থী বাবুল হোসেন বলেন, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। এ ছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা একজন আলেম হওয়া। যে কারণে আমি ছেলের সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছি। এ পরীক্ষায় পাস করলে এরপর দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদূর সম্ভব পড়তে চাই। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারণ শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হই কিন্তু পারিবারিক চাপের কারণে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

তার ছেলে মেহেদী হাসান বলে, বাবা আর আমি এক সঙ্গেই পরীক্ষা দিচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। বাবার পাশেই আমার সিট পড়েছে। আমার বাবার ইচ্ছা যেন পূরণ হয় সবাই সেই দোয়া করবেন

খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য সে পড়তে চায়। এ কারণে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম। ছেলে ও বাবা খুব ভালো পরীক্ষা দিচ্ছে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

এক সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষায় বাবা-ছেলে

আপডেট টাইম : ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এ বছর তারা খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষ দিচ্ছে।

জেডিসি পরীক্ষার্থী বাবুল হোসেন বলেন, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। এ ছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা একজন আলেম হওয়া। যে কারণে আমি ছেলের সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছি। এ পরীক্ষায় পাস করলে এরপর দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদূর সম্ভব পড়তে চাই। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারণ শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হই কিন্তু পারিবারিক চাপের কারণে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

তার ছেলে মেহেদী হাসান বলে, বাবা আর আমি এক সঙ্গেই পরীক্ষা দিচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। বাবার পাশেই আমার সিট পড়েছে। আমার বাবার ইচ্ছা যেন পূরণ হয় সবাই সেই দোয়া করবেন

খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য সে পড়তে চায়। এ কারণে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম। ছেলে ও বাবা খুব ভালো পরীক্ষা দিচ্ছে বলে তিনি জানান।