ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

এক সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষায় বাবা-ছেলে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এ বছর তারা খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষ দিচ্ছে।

জেডিসি পরীক্ষার্থী বাবুল হোসেন বলেন, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। এ ছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা একজন আলেম হওয়া। যে কারণে আমি ছেলের সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছি। এ পরীক্ষায় পাস করলে এরপর দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদূর সম্ভব পড়তে চাই। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারণ শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হই কিন্তু পারিবারিক চাপের কারণে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

তার ছেলে মেহেদী হাসান বলে, বাবা আর আমি এক সঙ্গেই পরীক্ষা দিচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। বাবার পাশেই আমার সিট পড়েছে। আমার বাবার ইচ্ছা যেন পূরণ হয় সবাই সেই দোয়া করবেন

খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য সে পড়তে চায়। এ কারণে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম। ছেলে ও বাবা খুব ভালো পরীক্ষা দিচ্ছে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

এক সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষায় বাবা-ছেলে

আপডেট টাইম : ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এ বছর তারা খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা থেকে জেডিসি পরীক্ষ দিচ্ছে।

জেডিসি পরীক্ষার্থী বাবুল হোসেন বলেন, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। এ ছাড়া আমার অনেক দিনের ইচ্ছা একজন আলেম হওয়া। যে কারণে আমি ছেলের সঙ্গে জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছি। এ পরীক্ষায় পাস করলে এরপর দাখিল ও আলিম পরীক্ষা দিয়ে যতদূর সম্ভব পড়তে চাই। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে দেশে প্রচলিত সাধারণ শিক্ষায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করি। এরপর এইচএসসি ভর্তি হই কিন্তু পারিবারিক চাপের কারণে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

তার ছেলে মেহেদী হাসান বলে, বাবা আর আমি এক সঙ্গেই পরীক্ষা দিচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। বাবার পাশেই আমার সিট পড়েছে। আমার বাবার ইচ্ছা যেন পূরণ হয় সবাই সেই দোয়া করবেন

খামারমুন্দিয়া গাজেম আলী দাখিল মাদরাসা সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, বাবুল হোসেন বলেছিল সার্টিফিকেটের জন্য নয়, জ্ঞান অর্জনের জন্য সে পড়তে চায়। এ কারণে আমি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিলাম। ছেলে ও বাবা খুব ভালো পরীক্ষা দিচ্ছে বলে তিনি জানান।