ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

বিজ্ঞানীদের অবাক করল কমন সুইফট পাখি

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ পাখি আকাশে উড়বে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু কতক্ষণ পর্যন্ত? কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই টানা দীর্ঘ মাস ধরে সুইফট পাখির অস্বাভাবিক আকাশে উড়ার বিষয়টি অবাক করেছে বিজ্ঞানীদের।

সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় জানিয়েছেন, মাঝারি আকৃতির পরিযায়ী পাখি ‘কমন সুইফট’ কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই যতটা সময় ধরে আকাশে উড়তে পারে, সেটা পৃথিবীর আর কোনো পাখি পারে না। তাই কমন সুইফট পাখির আকাশে উড়ে থাকার বিষয়টিকে বিজ্ঞানীরা ‘পৃথিবীর প্রাকৃতিক দীর্ঘতম ভ্রমণ’ রেকর্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, কমন সুইফটরা একটানা দশমাস আকাশে উড়তে পারে কোনো বিরতি ছাড়া।

এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময় আকাশে উড়ার রেকর্ডটি ছিল অ্যালপাইন সুইফট পাখির দখলে। এই পাখিগুলো সর্বাধিক ছয় মাসে আকাশে থাকতে পারে। তবে বর্তমান গবেষণা অনুসারে, এই রেকর্ডটি এখন কমন সুইফট পাখির দখলে, কারণ একটানা দশ মাস উড়তে পারে কমন সুইফট পাখিরা।

এই পরীক্ষার জন্য ১৩টি প্রজাতির সুইফট পাখির গতিবিধির ওপর দুই বছর ধরে নজর রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা। দেখা যায়, প্রজননের পর উড়ে যায় এরা। কমন সুইফট পাখিগুলো ১০ মাস পর পরবর্তী প্রজননের সময় আবার তারা ফিরে আসে।

১০ মাসের লম্বা যাত্রার প্রায় ৯৯.৫ শতাংশ সময়ই এরা আকাশে উড়েছে। খুব অল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নিয়েছে। আবার কিছু কমন সুইফট পাখির ক্ষেত্রে দেখা গেছে ১০ মাসে তারা কখনোই বিশ্রাম নেয়নি, ভূমি স্পর্শ করেনি। দিনের তুলনায় এদের রাতেই বেশি পথ অতিক্রম করতে দেখা গেছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, এটা খুবই বিস্ময়কর যে, পাখিগুলো ১০ মাস আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় থাকতে পারে কোনো প্রকার বিশ্রাম ছাড়াই। যেহেতু প্রাণী হিসেবে পাখিদেরও ঘুমের প্রয়োজন, তাই কমন সুইফ পাখিদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরদের অনুমান, খুব উচুঁ থেকে ধীরে ধীরে নিচে নামার সময় পাখিগুলো হালকা ঘুমিয়ে নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

বিজ্ঞানীদের অবাক করল কমন সুইফট পাখি

আপডেট টাইম : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ পাখি আকাশে উড়বে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু কতক্ষণ পর্যন্ত? কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই টানা দীর্ঘ মাস ধরে সুইফট পাখির অস্বাভাবিক আকাশে উড়ার বিষয়টি অবাক করেছে বিজ্ঞানীদের।

সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় জানিয়েছেন, মাঝারি আকৃতির পরিযায়ী পাখি ‘কমন সুইফট’ কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই যতটা সময় ধরে আকাশে উড়তে পারে, সেটা পৃথিবীর আর কোনো পাখি পারে না। তাই কমন সুইফট পাখির আকাশে উড়ে থাকার বিষয়টিকে বিজ্ঞানীরা ‘পৃথিবীর প্রাকৃতিক দীর্ঘতম ভ্রমণ’ রেকর্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, কমন সুইফটরা একটানা দশমাস আকাশে উড়তে পারে কোনো বিরতি ছাড়া।

এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময় আকাশে উড়ার রেকর্ডটি ছিল অ্যালপাইন সুইফট পাখির দখলে। এই পাখিগুলো সর্বাধিক ছয় মাসে আকাশে থাকতে পারে। তবে বর্তমান গবেষণা অনুসারে, এই রেকর্ডটি এখন কমন সুইফট পাখির দখলে, কারণ একটানা দশ মাস উড়তে পারে কমন সুইফট পাখিরা।

এই পরীক্ষার জন্য ১৩টি প্রজাতির সুইফট পাখির গতিবিধির ওপর দুই বছর ধরে নজর রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা। দেখা যায়, প্রজননের পর উড়ে যায় এরা। কমন সুইফট পাখিগুলো ১০ মাস পর পরবর্তী প্রজননের সময় আবার তারা ফিরে আসে।

১০ মাসের লম্বা যাত্রার প্রায় ৯৯.৫ শতাংশ সময়ই এরা আকাশে উড়েছে। খুব অল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নিয়েছে। আবার কিছু কমন সুইফট পাখির ক্ষেত্রে দেখা গেছে ১০ মাসে তারা কখনোই বিশ্রাম নেয়নি, ভূমি স্পর্শ করেনি। দিনের তুলনায় এদের রাতেই বেশি পথ অতিক্রম করতে দেখা গেছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, এটা খুবই বিস্ময়কর যে, পাখিগুলো ১০ মাস আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় থাকতে পারে কোনো প্রকার বিশ্রাম ছাড়াই। যেহেতু প্রাণী হিসেবে পাখিদেরও ঘুমের প্রয়োজন, তাই কমন সুইফ পাখিদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরদের অনুমান, খুব উচুঁ থেকে ধীরে ধীরে নিচে নামার সময় পাখিগুলো হালকা ঘুমিয়ে নেয়।