ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমবান্ধব সরকারের অগ্রাধিকার শ্রমিক অধিকার ও ব্যাপক কর্মসংস্থান: মাহ্দী আমিন

দুদশক পর নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে ব্রিটেন

যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার পদত্যাগ করেছিলেন ১৯৯০ সালের ২২ নভেম্বর। গত দুই দশকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার খ্যাত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর আসনে আর কোনো নারীকে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ব্রেক্সিট আবার সেই সুযোগ করে দিল।

গণভোটের রায়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে এসেছে ব্রিটেন। তার জেরেই প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বিদায় আসন্ন। দেশের শাসক দল কনজারভেটিভ পার্টি নতুন প্রার্থী হিসেবে যে দুই জনের নাম জানিয়েছেন, তারা হলেন টেরেসা মে এবং আন্ড্রিয়া লিডসোম। কনজারভেটিভ পার্টির এই দুই নেত্রীর মধ্যেই একজন হতে চলেছেন পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

অপরদিকে মন্ত্রীদের অভ্যন্তরীণ ভোটে আগেই হেরে গিয়েছেন শেষ মূহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নাম লেখানো ‘লিভ-পন্থী’ নেতা মাইকেল গোভ। মাত্র ৪৬টি ভোট পেয়েছেন তিনি। উল্টো দিকে তেরেসা পেয়েছেন ১৯৯টি ভোট এবং আন্ড্রিয়া ৮৪টি। এ বার ভোট দেবেন মোট দেড় লাখ পার্টি সদস্য। তাদের ভোটই নির্ধারণ করবে কার হাতে দায়িত্বভার তুলে দেবেন ক্যামেরন। ফল জানা যাবে সেপ্টেম্বরের শুরুতে।

কিছু দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড় থেকে নিজের নাম তুলে নিয়েছিলেন লন্ডনের প্রাক্তন মেয়র বরিস জনসন। তার জায়গায় এসেছিল আর এক কনজারভেটিভ নেতা মাইকেল গোভার।

অপরদিকে ১৯৯টা ভোট পেয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী তেরেসা। ২০১০ সাল থেকে দেশের স্বরাষ্ট্র সচিবের পদ সামলাচ্ছেন ‘রিমেন-পন্থী’ এই নেত্রী। বুকিরা কিন্তু তাঁর পক্ষেই বাজি ধরছেন।

তেরেসা বলেন, ‘কয়েক জন সুবিধাভোগীর জন্য নয়। ব্রিটেন যাতে সব শ্রেণির মানুষের বসবাসযোগ্য হয়, সেই চেষ্টাই করব’।

আন্ড্রিয়া লিডসোমকে অবশ্য কয়েক দিন আগেও দেশের মানুষ তেমন চিনতেন না। গণভোটের আগে ইইউ ছেড়ে আসার পক্ষে আওয়াজ তুলে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন বর্তমান শক্তি মন্ত্রী (জুনিয়র) লিডসোম। তার সমর্থকরা অবশ্য বলেন, তারকাদের নেতৃত্ব দিতে দেখতে দেখতে ব্রিটেনের মানুষ ক্লান্ত। তাই এখন অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত মুখই চাইছেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দুদশক পর নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে ব্রিটেন

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জুলাই ২০১৬

যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার পদত্যাগ করেছিলেন ১৯৯০ সালের ২২ নভেম্বর। গত দুই দশকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার খ্যাত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর আসনে আর কোনো নারীকে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ব্রেক্সিট আবার সেই সুযোগ করে দিল।

গণভোটের রায়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে এসেছে ব্রিটেন। তার জেরেই প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বিদায় আসন্ন। দেশের শাসক দল কনজারভেটিভ পার্টি নতুন প্রার্থী হিসেবে যে দুই জনের নাম জানিয়েছেন, তারা হলেন টেরেসা মে এবং আন্ড্রিয়া লিডসোম। কনজারভেটিভ পার্টির এই দুই নেত্রীর মধ্যেই একজন হতে চলেছেন পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

অপরদিকে মন্ত্রীদের অভ্যন্তরীণ ভোটে আগেই হেরে গিয়েছেন শেষ মূহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নাম লেখানো ‘লিভ-পন্থী’ নেতা মাইকেল গোভ। মাত্র ৪৬টি ভোট পেয়েছেন তিনি। উল্টো দিকে তেরেসা পেয়েছেন ১৯৯টি ভোট এবং আন্ড্রিয়া ৮৪টি। এ বার ভোট দেবেন মোট দেড় লাখ পার্টি সদস্য। তাদের ভোটই নির্ধারণ করবে কার হাতে দায়িত্বভার তুলে দেবেন ক্যামেরন। ফল জানা যাবে সেপ্টেম্বরের শুরুতে।

কিছু দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড় থেকে নিজের নাম তুলে নিয়েছিলেন লন্ডনের প্রাক্তন মেয়র বরিস জনসন। তার জায়গায় এসেছিল আর এক কনজারভেটিভ নেতা মাইকেল গোভার।

অপরদিকে ১৯৯টা ভোট পেয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী তেরেসা। ২০১০ সাল থেকে দেশের স্বরাষ্ট্র সচিবের পদ সামলাচ্ছেন ‘রিমেন-পন্থী’ এই নেত্রী। বুকিরা কিন্তু তাঁর পক্ষেই বাজি ধরছেন।

তেরেসা বলেন, ‘কয়েক জন সুবিধাভোগীর জন্য নয়। ব্রিটেন যাতে সব শ্রেণির মানুষের বসবাসযোগ্য হয়, সেই চেষ্টাই করব’।

আন্ড্রিয়া লিডসোমকে অবশ্য কয়েক দিন আগেও দেশের মানুষ তেমন চিনতেন না। গণভোটের আগে ইইউ ছেড়ে আসার পক্ষে আওয়াজ তুলে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন বর্তমান শক্তি মন্ত্রী (জুনিয়র) লিডসোম। তার সমর্থকরা অবশ্য বলেন, তারকাদের নেতৃত্ব দিতে দেখতে দেখতে ব্রিটেনের মানুষ ক্লান্ত। তাই এখন অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত মুখই চাইছেন তারা।