ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

দৃষ্টিনন্দন বর্ণচ্ছটায় জারুল ফুল

পাঁপড়ির নমনীয় কোমলতায়, দৃষ্টিনন্দন বর্নচ্ছটা নিয়ে প্রকৃতিকে আরো সুন্দর করে সাজিয়ে তোলে জারুল ফুল। বৃক্ষ জাতীয় জারুল ফুলের আদী নিবাস শ্রীলংকা। নীলাভ ও গোলাপী দু’ রংয়ের জারুল ফুল বাংলাদেশের সর্বত্র চোখে পড়ে।

এই পাতাঝরা বৃক্ষ শীতকালে পত্রশূন্য থাকে। বসন্তে গাঢ় নতুন সবুজ পাতা গজায়। জারুলের দৃষ্টিনন্দন রঙ ও রূপ নয়নাভিরাম, ফুল গন্ধহীন, পাপড়ি ছয়টি, ফুলের মাঝখানে হলুদ রঙের পরাগ রয়েছে। গাছ সাধারনত ১০ থেকে ১৫ মিটার উঁচু হয়।

গাছের পাতা সবুজ, পুরু,মধ্য শিরা স্পষ্ট ও বেশ বড়। গাছের শাখা-প্রশাখা ও কান্ড শক্তমানের, শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে দন্ড বোঁটায় অসংখ্য ফুল ফোটে। বোঁটার নিচ থেকে প্রথম ফুল ফোটা শুরু হয়ে বোঁটার সামনের দিকে ধীরে ধীরে ফুল ফোটে।

গ্রীষ্মের শুরুতেই এর ফুল ফুটে এবং শরৎ পর্যন্ত দেখা যায়। ফুল শেষে গাছে বীজ হয়, বীজ দেখতে গোলাকার ও বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার হয়। জারুল ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব বৃক্ষ। বাংলাদেশ ভারত ছাড়াও চীন মালয়েশিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে জারুল গাছের দেখা মিলে। নিন্মাঞ্চলের জলাভূমিতেও এটি ভালভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তবে শুকনো এলাকাতেও এদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়না। জারুল কাঠ লালচে রঙের, অত্যান্ত শক্ত ও মূল্যবান। ঘরের কড়ি-বড়গা, লাঙ্গল, আসবাব পত্র ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। জারুল গাছের ভেষজ গুনাগুন রয়েছে।

এর বীজ, ছাল ও পাতা ডায়াবেটিস রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছারাও জ¦র, অনিদ্রা, কাশি ও অজীর্নতায় জারুল উপকারী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

দৃষ্টিনন্দন বর্ণচ্ছটায় জারুল ফুল

আপডেট টাইম : ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০১৬

পাঁপড়ির নমনীয় কোমলতায়, দৃষ্টিনন্দন বর্নচ্ছটা নিয়ে প্রকৃতিকে আরো সুন্দর করে সাজিয়ে তোলে জারুল ফুল। বৃক্ষ জাতীয় জারুল ফুলের আদী নিবাস শ্রীলংকা। নীলাভ ও গোলাপী দু’ রংয়ের জারুল ফুল বাংলাদেশের সর্বত্র চোখে পড়ে।

এই পাতাঝরা বৃক্ষ শীতকালে পত্রশূন্য থাকে। বসন্তে গাঢ় নতুন সবুজ পাতা গজায়। জারুলের দৃষ্টিনন্দন রঙ ও রূপ নয়নাভিরাম, ফুল গন্ধহীন, পাপড়ি ছয়টি, ফুলের মাঝখানে হলুদ রঙের পরাগ রয়েছে। গাছ সাধারনত ১০ থেকে ১৫ মিটার উঁচু হয়।

গাছের পাতা সবুজ, পুরু,মধ্য শিরা স্পষ্ট ও বেশ বড়। গাছের শাখা-প্রশাখা ও কান্ড শক্তমানের, শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে দন্ড বোঁটায় অসংখ্য ফুল ফোটে। বোঁটার নিচ থেকে প্রথম ফুল ফোটা শুরু হয়ে বোঁটার সামনের দিকে ধীরে ধীরে ফুল ফোটে।

গ্রীষ্মের শুরুতেই এর ফুল ফুটে এবং শরৎ পর্যন্ত দেখা যায়। ফুল শেষে গাছে বীজ হয়, বীজ দেখতে গোলাকার ও বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার হয়। জারুল ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব বৃক্ষ। বাংলাদেশ ভারত ছাড়াও চীন মালয়েশিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে জারুল গাছের দেখা মিলে। নিন্মাঞ্চলের জলাভূমিতেও এটি ভালভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তবে শুকনো এলাকাতেও এদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়না। জারুল কাঠ লালচে রঙের, অত্যান্ত শক্ত ও মূল্যবান। ঘরের কড়ি-বড়গা, লাঙ্গল, আসবাব পত্র ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। জারুল গাছের ভেষজ গুনাগুন রয়েছে।

এর বীজ, ছাল ও পাতা ডায়াবেটিস রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছারাও জ¦র, অনিদ্রা, কাশি ও অজীর্নতায় জারুল উপকারী।