ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

কমলা ও মাল্টা চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তরুণরাও

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জনপ্রিয় হয়েছে মাল্টা ও কমলা চাষ। অল্প শ্রম ও পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় উপজেলার কৃষকদের পাশাপাশি কমলা ও মাল্টা চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তরুণরাও। কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সহযোগিতায় পতিত জমি, বাড়ির ছাদে কমলা ও মাল্টা চাষ করে অনেকেই পেয়েছেন সফলতা।

উপজেলার দক্ষিণ ইউপির কালিনগর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগের প্রণোদনায় দুই বছর আগে পাওয়া মাল্টা ও কমলার চারা বাড়ির ছাদে লাগাই। এক বছরের মধ্যে ভালো ফলন পাই। প্রতিটি গাছে  ১০০-১৪০টি  মাল্টা ধরেছে। আশা করি, ১৫-২০ দিনের মধ্যে মাল্টাগুলো পাকতে শুরু করবে।

মো. সালাম চৌধুরী বলেন, বারি-১ জাতের মাল্টা বাড়ির পাশে পতিত জমিতে চারা লাগিয়েছি। এরইমধ্যে পাঁচটি গাছে মাল্টা ও সাতটি গাছে কমলা ধরেছে। ফলন ভাল হওয়ায় আরো অনেকেই নিজেদের পতিত জমিতে মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ করে অনেকেই ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, সরকার সাইট্রাস ভিলেজ প্রজেক্টের আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে মাল্টা চারা বিতরণ করেছে। এছাড়া অনেক কৃষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মাল্টা-কমলা চাষ করছেন। এখানকার মাটি চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও ভাল হবে। কৃষকদের এ বিষয়ে সার্বিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

কমলা ও মাল্টা চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তরুণরাও

আপডেট টাইম : ১২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৯

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জনপ্রিয় হয়েছে মাল্টা ও কমলা চাষ। অল্প শ্রম ও পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় উপজেলার কৃষকদের পাশাপাশি কমলা ও মাল্টা চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তরুণরাও। কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সহযোগিতায় পতিত জমি, বাড়ির ছাদে কমলা ও মাল্টা চাষ করে অনেকেই পেয়েছেন সফলতা।

উপজেলার দক্ষিণ ইউপির কালিনগর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগের প্রণোদনায় দুই বছর আগে পাওয়া মাল্টা ও কমলার চারা বাড়ির ছাদে লাগাই। এক বছরের মধ্যে ভালো ফলন পাই। প্রতিটি গাছে  ১০০-১৪০টি  মাল্টা ধরেছে। আশা করি, ১৫-২০ দিনের মধ্যে মাল্টাগুলো পাকতে শুরু করবে।

মো. সালাম চৌধুরী বলেন, বারি-১ জাতের মাল্টা বাড়ির পাশে পতিত জমিতে চারা লাগিয়েছি। এরইমধ্যে পাঁচটি গাছে মাল্টা ও সাতটি গাছে কমলা ধরেছে। ফলন ভাল হওয়ায় আরো অনেকেই নিজেদের পতিত জমিতে মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ করে অনেকেই ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, সরকার সাইট্রাস ভিলেজ প্রজেক্টের আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে মাল্টা চারা বিতরণ করেছে। এছাড়া অনেক কৃষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মাল্টা-কমলা চাষ করছেন। এখানকার মাটি চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও ভাল হবে। কৃষকদের এ বিষয়ে সার্বিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।