ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

আইসক্রিম বেচলেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের প্রভাবশালী তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী কে টি রামা রাও আইসক্রিম বিক্রিতে নেমেছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি হায়দরাবাদ-নাগপুর মহাসড়কের পাশে সুচিত্রা আইসক্রিম পারলারে প্রায় ঘণ্টাখানেক আইসক্রিম বিক্রি করেন। এতে আয় হয় সাড়ে সাত লাখ রুপি। খবর এনডিটিভির।
কে টি রামা রাওয়ের ক্রেতাদের বেশির ভাগই ছিলেন ধনী, বিশেষ করে দলীয় নেতারা। এই ক্রেতাদের একজন ৬৩ বছর বয়সী মাল্লা রেড্ডি। তিনি নিজে ছোটবেলায় কলেজে পড়তে পারেননি, তবে এখন রাজ্যে একগাদা প্রকৌশল কলেজ আছে তাঁর। রামার দলের হয়ে বিধানসভার সদস্য তিনি। তাঁকে নিয়ে এত কিছু বলার কারণ হলো, তিনি রামার কাছ থেকে একটি আইসক্রিম কিনেছেন পাঁচ লাখ রুপি দিয়ে।
কে টি রামা রাওয়ের বাবা কে চন্দ্রশেখর রাও তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। এ পদে থেকেই নিজেকে আমজনতার কাতারে নিচ্ছেন তিনি, কুলি হয়ে। সপ্তাহে দুই দিনের জন্য পয়সার বিনিময়ে কুলির কাজ করবেন এই মুখ্যমন্ত্রী। ‘গুলাবী কুলি দিনালু’ বা ‘গোলাপি শ্রমিকদের দিন’ নামে সপ্তাহব্যাপী চালু করা এক উদ্যোগে নিজেকে শরিক করছেন তিনি। এখন দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে চাইলে যে-কেউ তাঁকে ভাড়ায় খাটাতে পারবেন। কর্মসূচি শুরু হয়েছে গতকাল শুক্রবার থেকে।

শুধু নিজে মুট বইতে নামছেন না তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী; রাজ্যের সব মন্ত্রী, সাংসদ, দলের নেতা ও কর্মীর প্রত্যেককে দুই দিনের জন্য ঘাম ঝরানো এ কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এর বিনিময়ে তাঁরা যে অর্থ পাবেন, তা জমা পড়বে নিজেদের রাজনৈতিক দল তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির (টিআরএস) তহবিলে। এ থেকেই দলের বার্ষিক সম্মেলনের খরচের কিছুটা মেটানো হবে।

টিআরএসের সদস্যসংখ্যা এখন ৭৫ লাখের বেশি। ২০১৪ সালে যখন দলটি ভারতের নবীনতম রাজ্য তেলেঙ্গানার ক্ষমতায় আসে, তখন এই সংখ্যা ছিল ৫২ লাখের কম। দলের সদস্যদের কাছ থেকে সদস্য ফি বাবদ প্রায় ৩৫ কোটি রুপি পেয়েছে দলটি, যা দলের ব্যাংক হিসাব সমৃদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

আইসক্রিম বেচলেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৭

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের প্রভাবশালী তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী কে টি রামা রাও আইসক্রিম বিক্রিতে নেমেছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি হায়দরাবাদ-নাগপুর মহাসড়কের পাশে সুচিত্রা আইসক্রিম পারলারে প্রায় ঘণ্টাখানেক আইসক্রিম বিক্রি করেন। এতে আয় হয় সাড়ে সাত লাখ রুপি। খবর এনডিটিভির।
কে টি রামা রাওয়ের ক্রেতাদের বেশির ভাগই ছিলেন ধনী, বিশেষ করে দলীয় নেতারা। এই ক্রেতাদের একজন ৬৩ বছর বয়সী মাল্লা রেড্ডি। তিনি নিজে ছোটবেলায় কলেজে পড়তে পারেননি, তবে এখন রাজ্যে একগাদা প্রকৌশল কলেজ আছে তাঁর। রামার দলের হয়ে বিধানসভার সদস্য তিনি। তাঁকে নিয়ে এত কিছু বলার কারণ হলো, তিনি রামার কাছ থেকে একটি আইসক্রিম কিনেছেন পাঁচ লাখ রুপি দিয়ে।
কে টি রামা রাওয়ের বাবা কে চন্দ্রশেখর রাও তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। এ পদে থেকেই নিজেকে আমজনতার কাতারে নিচ্ছেন তিনি, কুলি হয়ে। সপ্তাহে দুই দিনের জন্য পয়সার বিনিময়ে কুলির কাজ করবেন এই মুখ্যমন্ত্রী। ‘গুলাবী কুলি দিনালু’ বা ‘গোলাপি শ্রমিকদের দিন’ নামে সপ্তাহব্যাপী চালু করা এক উদ্যোগে নিজেকে শরিক করছেন তিনি। এখন দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে চাইলে যে-কেউ তাঁকে ভাড়ায় খাটাতে পারবেন। কর্মসূচি শুরু হয়েছে গতকাল শুক্রবার থেকে।

শুধু নিজে মুট বইতে নামছেন না তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী; রাজ্যের সব মন্ত্রী, সাংসদ, দলের নেতা ও কর্মীর প্রত্যেককে দুই দিনের জন্য ঘাম ঝরানো এ কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এর বিনিময়ে তাঁরা যে অর্থ পাবেন, তা জমা পড়বে নিজেদের রাজনৈতিক দল তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির (টিআরএস) তহবিলে। এ থেকেই দলের বার্ষিক সম্মেলনের খরচের কিছুটা মেটানো হবে।

টিআরএসের সদস্যসংখ্যা এখন ৭৫ লাখের বেশি। ২০১৪ সালে যখন দলটি ভারতের নবীনতম রাজ্য তেলেঙ্গানার ক্ষমতায় আসে, তখন এই সংখ্যা ছিল ৫২ লাখের কম। দলের সদস্যদের কাছ থেকে সদস্য ফি বাবদ প্রায় ৩৫ কোটি রুপি পেয়েছে দলটি, যা দলের ব্যাংক হিসাব সমৃদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের।