ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

বাবরি মসজিদ সম্পর্কে এত বড় সত্যটা আগে জানতেন কি

অনেক দিন ধরে বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজনীতি সরগরম। প্রচুর খবর, একাধিকবার শিরোনামে উঠে আসা। বিতর্ক, চাপানউতোর, সবই চলছে। অযোধ্যার বিতর্কিত ভূখণ্ড নিয়ে হিন্দু-মুসলিম দু’পক্ষকেই আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে সমম্যা সমাধানের পরামর্শও দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের।

এতকিছুর মধ্যেও বাবরি মসজিদ নিয়ে এখনও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়েছে আম জনতার মধ্যে। কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা, অধিকাংশই অজানা। কিন্তু এমন এক তথ্য আছে বাবরির নেপথ্যে যা জানলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যাবে।


তা হল বাবরির নামকরণ নিয়ে। ইতিহাস বলছে, প্রথম মোঘল সম্রাট বাবর এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে এর নাম হয়ে যায় বাবরি। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, বাবর নন, এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন অন্য কেউ।

বাবরি মসজিদ আদতে বাবরের এক সেনাপতি মীর বাকি তাশখন্দি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আদতে তাশখন্দের বাসিন্দা ছিলেন। জানা যায়, পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সেনা অযোধ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তখন বাবর আগ্রাতেই থেকে গিয়েছিলেন। সেইসময় মীর বাকিকে নেতা চয়ন করেছিলেন বাবর।

যে মসজিদ নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে বিবাদ সেই মসজিদ তৈরি করেছিলেন মীর বাকি। তারপর বাবরকে খুশি করার জন্য এর নাম রাখেন বাবরি মসজিদ। আবার স্থানীয় কিছু মতবাদ অনুযায়ী, বাবরের হুকুমেই এই মসজিদ তৈরি হয়েছিল। দুই ধরনের মত থেকেই এটাই স্পষ্ট যে মসজিদ নির্মাণে বাবর সশরীরে জড়িত ছিলেন না।

এই বিষয়ে বাবরের জীবনী ‘বাবরনামা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ। তবে সেখানে বাবরি মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে কোনও উল্লেখই নেই। এদিকে হিন্দুদের দাবী, অযোধ্যা রামচন্দ্রের জন্মভূমি হওয়ায় ওখানে আগে মন্দির ছিল। সেটা ভেঙে মসজিদ করা হয়েছে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

বাবরি মসজিদ সম্পর্কে এত বড় সত্যটা আগে জানতেন কি

আপডেট টাইম : ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

অনেক দিন ধরে বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজনীতি সরগরম। প্রচুর খবর, একাধিকবার শিরোনামে উঠে আসা। বিতর্ক, চাপানউতোর, সবই চলছে। অযোধ্যার বিতর্কিত ভূখণ্ড নিয়ে হিন্দু-মুসলিম দু’পক্ষকেই আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে সমম্যা সমাধানের পরামর্শও দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের।

এতকিছুর মধ্যেও বাবরি মসজিদ নিয়ে এখনও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়েছে আম জনতার মধ্যে। কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা, অধিকাংশই অজানা। কিন্তু এমন এক তথ্য আছে বাবরির নেপথ্যে যা জানলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যাবে।


তা হল বাবরির নামকরণ নিয়ে। ইতিহাস বলছে, প্রথম মোঘল সম্রাট বাবর এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে এর নাম হয়ে যায় বাবরি। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, বাবর নন, এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন অন্য কেউ।

বাবরি মসজিদ আদতে বাবরের এক সেনাপতি মীর বাকি তাশখন্দি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আদতে তাশখন্দের বাসিন্দা ছিলেন। জানা যায়, পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সেনা অযোধ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তখন বাবর আগ্রাতেই থেকে গিয়েছিলেন। সেইসময় মীর বাকিকে নেতা চয়ন করেছিলেন বাবর।

যে মসজিদ নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে বিবাদ সেই মসজিদ তৈরি করেছিলেন মীর বাকি। তারপর বাবরকে খুশি করার জন্য এর নাম রাখেন বাবরি মসজিদ। আবার স্থানীয় কিছু মতবাদ অনুযায়ী, বাবরের হুকুমেই এই মসজিদ তৈরি হয়েছিল। দুই ধরনের মত থেকেই এটাই স্পষ্ট যে মসজিদ নির্মাণে বাবর সশরীরে জড়িত ছিলেন না।

এই বিষয়ে বাবরের জীবনী ‘বাবরনামা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ। তবে সেখানে বাবরি মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে কোনও উল্লেখই নেই। এদিকে হিন্দুদের দাবী, অযোধ্যা রামচন্দ্রের জন্মভূমি হওয়ায় ওখানে আগে মন্দির ছিল। সেটা ভেঙে মসজিদ করা হয়েছে।