ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন সেচকাজে ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়ে উঠছে মানুষ জামায়াতের লং মার্চের দাবি আর সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখী : চরমোনাই পীর ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাজ্যের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি লেবার নেতা করবিনের ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ব্যালন ডি’অর: সুযোগ থাকলে মেসিকে ১০০ বার ভোট দিতেন জিদান রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

হঠাৎ বাড়ছে রসুনের দাম

বাজারে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে রসুনের দাম। প্রতি কেজিতে নিত্যপণ্যটির দাম বেড়েছে ৭০ টাকার বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, এই দাম আরও বাড়তে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, রমজানকে সামনে রেখে রসুনের দাম ৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

রসুনের চাহিদার সিংহভাগ দেশেই উৎপাদিত হয়। তবে গত কয়েক বছরে চীন থেকে আমদানি করা বড় আকারের রসুন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। তাই এ পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে ক্রেতারা। যারা বেশ কিছুদিন পর বাজারে আসছেন তারা রসুনের দাম শুনে একপ্রকার আঁতকেই উঠছেন।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় এবং দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায়। অথচ গত শুক্রবার এসব বাজারে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুন ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় এবং দেশি রসুন ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হয়েছে। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে দেশের খুচরা বাজারে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুনের দাম ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা এবং প্রতি কেজি দেশি রসুন ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ, রসুন ও আদা আমদানিকারক এক ব্যবসাহি বলেন, চায়না রসুনের সরবরাহ ও মজুদ কম। তবে, খুচরা দোকানিরা দামের দিক থেকে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছেন। তবে খুচরা দোকানিরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা বলেন চীনা রসুনের সরবরাহে ঘাটতি থাকায় এই পরিস্থিতি। তাছাড়া দুই পাইকারি বাজারের দামে যথেষ্ট তফাতও পাওয়া গেছে। ভোক্তারা এ ব্যাপারে টিসিবির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

হঠাৎ বাড়ছে রসুনের দাম

আপডেট টাইম : ০৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০১৬

বাজারে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে রসুনের দাম। প্রতি কেজিতে নিত্যপণ্যটির দাম বেড়েছে ৭০ টাকার বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, এই দাম আরও বাড়তে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন, রমজানকে সামনে রেখে রসুনের দাম ৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

রসুনের চাহিদার সিংহভাগ দেশেই উৎপাদিত হয়। তবে গত কয়েক বছরে চীন থেকে আমদানি করা বড় আকারের রসুন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। তাই এ পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে ক্রেতারা। যারা বেশ কিছুদিন পর বাজারে আসছেন তারা রসুনের দাম শুনে একপ্রকার আঁতকেই উঠছেন।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় এবং দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায়। অথচ গত শুক্রবার এসব বাজারে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুন ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় এবং দেশি রসুন ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হয়েছে। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে দেশের খুচরা বাজারে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুনের দাম ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা এবং প্রতি কেজি দেশি রসুন ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ, রসুন ও আদা আমদানিকারক এক ব্যবসাহি বলেন, চায়না রসুনের সরবরাহ ও মজুদ কম। তবে, খুচরা দোকানিরা দামের দিক থেকে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছেন। তবে খুচরা দোকানিরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা বলেন চীনা রসুনের সরবরাহে ঘাটতি থাকায় এই পরিস্থিতি। তাছাড়া দুই পাইকারি বাজারের দামে যথেষ্ট তফাতও পাওয়া গেছে। ভোক্তারা এ ব্যাপারে টিসিবির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।