ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের সিংহপুরুষ বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর সংগ্রাম, রাজনীতি বর্ণাঢ্য জীবন বিয়ে নয়, বাগদান সম্পন্ন হয়েছে লুবাবার ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনে যাচ্ছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ : ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস আওয়ামী লীগের আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার : প্রধানমন্ত্রী বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০ তরমুজের নাম বেঙ্গল টাইগার! জেনে নিন তরমুজের ইতিহাস, পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পাকা তরমুজ চেনার উপায়

ইসলামের লেবেল লাগিয়ে তারা আমাদের ধোঁকা দিয়েছে : মুফতি রেজাউল করিম

ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেছেন, ‘আমরা প্রথমে ৫ দল ও পরে ৮ দল গঠনের মাধ্যমে এক বাক্স নীতিতে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখছে। তারা পাকা ধানের ভেতর মই দিয়ে ধান নষ্ট করে ফেলল। তারা শরিয়া অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না।

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে।’শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ফাজেলপুরে হরিহরপাড়া স্কুল মাঠে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ওই দলটিকে উদ্দেশ করে চরমোনাই পীর বলেন, ‘তারা গোপনে গোপনে পাশের দেশের সঙ্গে মিটিং করে আমাদের বিশ্বাসে আঘাত করেছে। যারা ভাইদের সঙ্গে প্রতারণা করে এদের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

ইসলামকে এরা সাইনবোর্ড লাগিয়ে জবাই করবে। এরা ইসলামের আশা চিন্তার ফসলকে নষ্ট করেছে। তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারি না। এখন একটা বাক্সই ইসলামের পক্ষে যেটা হাতপাখার বাক্স।
তরুণ ভোটারদের প্রথম ভোট ইসলামের পক্ষে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’তিনি আরো বলেন, ‘চব্বিশের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরে দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। মা-বোন ও মুরব্বিদের বলব একবারের জন্য হাতপাখায় ভোট দিয়ে দেখেন।’

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরী, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ ও মুফতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সিরাজগঞ্জের সিংহপুরুষ বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর সংগ্রাম, রাজনীতি বর্ণাঢ্য জীবন

ইসলামের লেবেল লাগিয়ে তারা আমাদের ধোঁকা দিয়েছে : মুফতি রেজাউল করিম

আপডেট টাইম : ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেছেন, ‘আমরা প্রথমে ৫ দল ও পরে ৮ দল গঠনের মাধ্যমে এক বাক্স নীতিতে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখছে। তারা পাকা ধানের ভেতর মই দিয়ে ধান নষ্ট করে ফেলল। তারা শরিয়া অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না।

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে।’শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ফাজেলপুরে হরিহরপাড়া স্কুল মাঠে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ওই দলটিকে উদ্দেশ করে চরমোনাই পীর বলেন, ‘তারা গোপনে গোপনে পাশের দেশের সঙ্গে মিটিং করে আমাদের বিশ্বাসে আঘাত করেছে। যারা ভাইদের সঙ্গে প্রতারণা করে এদের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

ইসলামকে এরা সাইনবোর্ড লাগিয়ে জবাই করবে। এরা ইসলামের আশা চিন্তার ফসলকে নষ্ট করেছে। তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারি না। এখন একটা বাক্সই ইসলামের পক্ষে যেটা হাতপাখার বাক্স।
তরুণ ভোটারদের প্রথম ভোট ইসলামের পক্ষে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’তিনি আরো বলেন, ‘চব্বিশের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরে দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। মা-বোন ও মুরব্বিদের বলব একবারের জন্য হাতপাখায় ভোট দিয়ে দেখেন।’

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরী, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ ও মুফতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।