তিন সংস্করণে নিয়মিত জাতীয় দলে খেলবেন, এমন কোন ক্রিকেটারকেই খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ফর্ম, ফিটনেস, পারফরম্যান্স; কোন বিচারেই এমন একজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি, তাই তো ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরির ঘরটা ফাঁকা। ২০২৫ সালে এই ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ বেতনভুক্ত ক্রিকেটার ছিলেন তাসকিন আহমেদ, তবে ২০২৫ সালে একটা টেস্টও খেলেননি এই পেসার। তাই তো এই বছর তাসকিন অবনমিত হয়েছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে। সর্বোচ্চ মানের ক্রিকেটার না পেলেও এই বার বেড়েছে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারের সংখ্যা। ২০২৫ সালে সংখ্যাটি ছিল ২২, এই বছর ২৮ জন ক্রিকেটারকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রেখেছে বিসিবি, যে চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরি না থাকায় এই বছর ‘এ’ ক্যাটাগরিই সর্বোচ্চ। সেখানে তাসকিনের সঙ্গে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদি হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাস। শান্ত টেস্ট অধিনায়ক, মিরাজ ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত লিটনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, আগামীতেও এই ভূমিকায় তাকেই দেখতে পাবার সম্ভাবনাই বেশি। তারা তিনজন ২০২৫ সালেও ‘এ’ ক্যাটাগরিতে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। তাদের বেতন মাসে ৮ লক্ষ টাকা। গত বছর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা মুশফিকুর রহিম এবার চলে গেছেন ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। এই ক্যাটাগরিতেই সর্বোচ্চ ১১ জন ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পেয়েছেন।
মাসে ৬ লক্ষ টাকা বেতনের চুক্তিতে আছেন; মুশফিকুর রহিম, মমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাওহিদ হৃদয়, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা। সাদমান, তানজিদ তামিম, রিশাদ, শেখ মেহেদি প্রমোশন পেয়ে ‘সি’ থেকে উঠে এসেছেন ‘বি’তে।
মাসে ৪ লাখ টাকা বেতনে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা হচ্ছেন; সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক,শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। লম্বা সময় পর ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে থাকা নাসুম ও খালেদের উত্তরণ হয়েছে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। ডি ক্যাটাগরিতে আছেন সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তানভির ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ, শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও নুরুল হাসান সোহান। তারা কেউই গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন না, এবার জায়গা পেয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে মাসিক বেতন ২ লক্ষ টাকা।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























