ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

অপরজনকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিন, নিজে সুস্থ থাকুন

দেশে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখের উপর। করোনায় কেউ মা হারিয়েছেন, কেউ বাবা, কেউ ভাই-বোন, কেউ স্বামী বা স্ত্রী। কিন্তু তারপরও দেশের মানুষকে এ ব্যাপারে তেমন সচেতন হতে দেখা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, মাস্ক ব্যবহারে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমবে। পাশাপাশি প্রয়োজন অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। কিন্তু রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, অফিস আদালতে অনেকেই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি, অনেকে বিরত থাকছেন মাস্ক পরা থেকে। অথচ মাস্ক না পরা একজন করোনাভাইরাস বহনকারী রোগী থেকে আক্রান্ত হতে পারে অসংখ্য সুস্থ মানুষ। আবার তাদের থেকে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে পরিবারের অন্য সদস্যদের।

গত ২১ জুলাই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু তা শুধু প্রজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ থেকেছে, কোথাও কড়াকড়ি আরোপের ঘটনা চোখে পড়েনি। মার্চের পর কয়েক মাস সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় মাস্ক পরার প্রবণতা লক্ষ করা গেলেও এ মুহূর্তে মাস্ক জিনিসটাকে যেন ভুলেই গেছে মানুষ। এমনকি সরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন জায়গায় শুরুর দিকে মাস্ক পরার ব্যাপারে কড়াকড়ি থাকলেও বর্তমানে দেখা যায় কেউ মানছেন না সেটি। গণপরিবহনে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেককেই মাস্ক পরতে দেখা যায় না।

করোনার ভয়াবহতার কথা বিবেচনায় রেখে প্রত্যেকেরই মাস্ক পরা উচিত? অন্তত জনসমাগমের জায়গাগুলোতে মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। বাঙালি মাস্ক পরায় অভ্যস্ত নয়- এমন কথা অনেকে বলেন। কিন্তু সবকিছুর উপরে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভাবতে হবে। নিজের পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নিরাপদে রাখার দায়িত্ব সবাইকে নিতে হবে। আর সেজন্য মাস্ক পরার বিকল্প নেই। এটা ঠিক- শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, শ্বাসকষ্টের রোগীসহ অনেকের ক্ষেত্রে মাস্ক পরাটা সমস্যার। তাই তাদের উচিত জনসমাগম এড়িয়ে চলা, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করে সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন আমাদের এ শঙ্কার কথা মাথায় রেখে উপযুক্ত ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সামনের দিনগুলো পার করতে হবে। আর সেজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিকল্প নেই। সবার পরিবার ও প্রিয়জনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে মাস্ক পরার বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে, অপরজনকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিতে হবে।

মো. রায়হানুল ইসলাম সৈকত : শিক্ষার্থী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

saikatban16@gmail.com

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

অপরজনকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিন, নিজে সুস্থ থাকুন

আপডেট টাইম : ১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

দেশে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখের উপর। করোনায় কেউ মা হারিয়েছেন, কেউ বাবা, কেউ ভাই-বোন, কেউ স্বামী বা স্ত্রী। কিন্তু তারপরও দেশের মানুষকে এ ব্যাপারে তেমন সচেতন হতে দেখা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, মাস্ক ব্যবহারে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমবে। পাশাপাশি প্রয়োজন অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। কিন্তু রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, অফিস আদালতে অনেকেই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি, অনেকে বিরত থাকছেন মাস্ক পরা থেকে। অথচ মাস্ক না পরা একজন করোনাভাইরাস বহনকারী রোগী থেকে আক্রান্ত হতে পারে অসংখ্য সুস্থ মানুষ। আবার তাদের থেকে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে পরিবারের অন্য সদস্যদের।

গত ২১ জুলাই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু তা শুধু প্রজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ থেকেছে, কোথাও কড়াকড়ি আরোপের ঘটনা চোখে পড়েনি। মার্চের পর কয়েক মাস সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় মাস্ক পরার প্রবণতা লক্ষ করা গেলেও এ মুহূর্তে মাস্ক জিনিসটাকে যেন ভুলেই গেছে মানুষ। এমনকি সরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন জায়গায় শুরুর দিকে মাস্ক পরার ব্যাপারে কড়াকড়ি থাকলেও বর্তমানে দেখা যায় কেউ মানছেন না সেটি। গণপরিবহনে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেককেই মাস্ক পরতে দেখা যায় না।

করোনার ভয়াবহতার কথা বিবেচনায় রেখে প্রত্যেকেরই মাস্ক পরা উচিত? অন্তত জনসমাগমের জায়গাগুলোতে মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। বাঙালি মাস্ক পরায় অভ্যস্ত নয়- এমন কথা অনেকে বলেন। কিন্তু সবকিছুর উপরে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভাবতে হবে। নিজের পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নিরাপদে রাখার দায়িত্ব সবাইকে নিতে হবে। আর সেজন্য মাস্ক পরার বিকল্প নেই। এটা ঠিক- শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, শ্বাসকষ্টের রোগীসহ অনেকের ক্ষেত্রে মাস্ক পরাটা সমস্যার। তাই তাদের উচিত জনসমাগম এড়িয়ে চলা, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করে সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন আমাদের এ শঙ্কার কথা মাথায় রেখে উপযুক্ত ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সামনের দিনগুলো পার করতে হবে। আর সেজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিকল্প নেই। সবার পরিবার ও প্রিয়জনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে মাস্ক পরার বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে, অপরজনকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিতে হবে।

মো. রায়হানুল ইসলাম সৈকত : শিক্ষার্থী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

saikatban16@gmail.com