ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

স্তন ক্যান্সারে কার্যকর দাওয়াই অ্যালোভেরা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ সবার কাছেই অনেক উপকারী ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত অ্যালোভেরা।  অনেকটা ক্যাকটাসের মতো দেখালেও এটি ক্যাকটাস নয়।  এটি হচ্ছে লিলি প্রজাতির উদ্ভিদ।

অনেক আগে থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই উদ্ভিদটি।  এটির জেল রোদে পোড়া থেকে মুক্তি দিতে ও ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।

এ ছাড়া ঔষধি কাজে অ্যালোভেরা ব্যবহারের অনেক ইতিহাস রয়েছে প্রাচীন মিসরে। বর্তমান সময়ের প্রায় ছয় হাজার বছর আগে মিসরেই উৎপত্তি লাভ করে এই বহুগুণী উদ্ভিদটি।

বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এটি অনেক উপকারী।  বুকজ্বালা থেকে মুক্তি দেওয়া থেকে শুরু করে স্তন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ রোধ করতেও উপকারী এটি।  এতে ২০ ধরনের খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। আর মানবদেহের জন্য যে ২২ ধরনের এমিনো অ্যাসিড প্রয়োজন তার আটটিই মেলে অ্যালোভেরাতে।

অ্যালোভেরা থেকে জেল, টুথপেস্ট, ক্রিম, ফেশওয়াস, লোশন, শ্যাম্পু, তেল ও মলমসহ বিভিন্ন জিনিসের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া অ্যালোভেরার আরও অনেক উপকার ও ব্যবহার জেনে অবাক হবেন আপনিও।  জানুন অ্যালোভেরার কিছু অসাধারণ উপকার—

১. বুকজ্বালা কমায়

অনেকেরই গ্যাসের সমস্যার জন্য বুক জ্বালাপোড়া করে থাকে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে অ্যালোভেরা। এ ছাড়া এটি হজমেও অনেক উপকারী। অ্যালোভেরার শরবত খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

২. মাউথ ওয়াসের বিকল্প

অ্যালোভেরা জেলকে মাউথ ওয়াসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে দূর করতে পারেন মুখের দুর্গন্ধ। এ বিষয়ে ২০১৪ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, অ্যালোভেরা জেল মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা কমাতে এবং মাড়ির রক্তপাত হলে সেটি দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মুখের দুর্গন্ধও দূর করতে সাহায্য করে।

৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে অ্যলোভেরা। নিয়মিত দুই চামচ অ্যালোভেরা রস খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ কমে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে এক গবেষণায়

৪. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
অ্যালোভেরা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও অনেক কার্যকরী। এর শরবত পান করলে সেটি আমাদের অন্ত্রের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলে মলকে সহজেই বের হয়ে যেতে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে আপনার নিয়মিত পানীয়র তালিকায় রাখতে পারেন অ্যালোভেরার শরবত।

৫. ত্বকের যত্নে উপকারী

ত্বককে পরিষ্কার ও হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে অ্যালোভেরা। আর এটির জেল ব্যবহারের ফলে ব্রণের সমস্যাও দূর হয়। অ্যালোভেরা এন্টিসেপটিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি ত্বকের যত্নে অনেক উপকারী। এ ছাড়া রোদে পোড়া ভাব দূর করতেও অনেক কার্যকরী অ্যালোভেরা।

৬. স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে

অ্যালোভেরায় অ্যালো অ্যামোডিন নামের এক ধরনের উপাদান স্তন ক্যান্সারের বিস্তারকে রোধ করতে পারে। সাম্প্রতি এক গবষেণায় প্রকাশিত হয়েছে এ তথ্য।

৭. লিভার ভালো রাখতে সহায়তা করে

অ্যালোভেরা আমাদের লিভারকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। অ্যলোভেরার শরবত আমাদের হাইড্রেট ও ফাইটোনিট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ করে লিভারকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

সূত্র: হেলথলাইন ডটকম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

স্তন ক্যান্সারে কার্যকর দাওয়াই অ্যালোভেরা

আপডেট টাইম : ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ সবার কাছেই অনেক উপকারী ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত অ্যালোভেরা।  অনেকটা ক্যাকটাসের মতো দেখালেও এটি ক্যাকটাস নয়।  এটি হচ্ছে লিলি প্রজাতির উদ্ভিদ।

অনেক আগে থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই উদ্ভিদটি।  এটির জেল রোদে পোড়া থেকে মুক্তি দিতে ও ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।

এ ছাড়া ঔষধি কাজে অ্যালোভেরা ব্যবহারের অনেক ইতিহাস রয়েছে প্রাচীন মিসরে। বর্তমান সময়ের প্রায় ছয় হাজার বছর আগে মিসরেই উৎপত্তি লাভ করে এই বহুগুণী উদ্ভিদটি।

বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এটি অনেক উপকারী।  বুকজ্বালা থেকে মুক্তি দেওয়া থেকে শুরু করে স্তন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ রোধ করতেও উপকারী এটি।  এতে ২০ ধরনের খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। আর মানবদেহের জন্য যে ২২ ধরনের এমিনো অ্যাসিড প্রয়োজন তার আটটিই মেলে অ্যালোভেরাতে।

অ্যালোভেরা থেকে জেল, টুথপেস্ট, ক্রিম, ফেশওয়াস, লোশন, শ্যাম্পু, তেল ও মলমসহ বিভিন্ন জিনিসের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া অ্যালোভেরার আরও অনেক উপকার ও ব্যবহার জেনে অবাক হবেন আপনিও।  জানুন অ্যালোভেরার কিছু অসাধারণ উপকার—

১. বুকজ্বালা কমায়

অনেকেরই গ্যাসের সমস্যার জন্য বুক জ্বালাপোড়া করে থাকে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে অ্যালোভেরা। এ ছাড়া এটি হজমেও অনেক উপকারী। অ্যালোভেরার শরবত খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

২. মাউথ ওয়াসের বিকল্প

অ্যালোভেরা জেলকে মাউথ ওয়াসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে দূর করতে পারেন মুখের দুর্গন্ধ। এ বিষয়ে ২০১৪ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, অ্যালোভেরা জেল মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা কমাতে এবং মাড়ির রক্তপাত হলে সেটি দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি মুখের দুর্গন্ধও দূর করতে সাহায্য করে।

৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে অ্যলোভেরা। নিয়মিত দুই চামচ অ্যালোভেরা রস খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ কমে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে এক গবেষণায়

৪. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
অ্যালোভেরা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও অনেক কার্যকরী। এর শরবত পান করলে সেটি আমাদের অন্ত্রের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলে মলকে সহজেই বের হয়ে যেতে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে আপনার নিয়মিত পানীয়র তালিকায় রাখতে পারেন অ্যালোভেরার শরবত।

৫. ত্বকের যত্নে উপকারী

ত্বককে পরিষ্কার ও হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে অ্যালোভেরা। আর এটির জেল ব্যবহারের ফলে ব্রণের সমস্যাও দূর হয়। অ্যালোভেরা এন্টিসেপটিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি ত্বকের যত্নে অনেক উপকারী। এ ছাড়া রোদে পোড়া ভাব দূর করতেও অনেক কার্যকরী অ্যালোভেরা।

৬. স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে

অ্যালোভেরায় অ্যালো অ্যামোডিন নামের এক ধরনের উপাদান স্তন ক্যান্সারের বিস্তারকে রোধ করতে পারে। সাম্প্রতি এক গবষেণায় প্রকাশিত হয়েছে এ তথ্য।

৭. লিভার ভালো রাখতে সহায়তা করে

অ্যালোভেরা আমাদের লিভারকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। অ্যলোভেরার শরবত আমাদের হাইড্রেট ও ফাইটোনিট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ করে লিভারকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

সূত্র: হেলথলাইন ডটকম।