ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

গুদাম থেকে গায়েব ৫২১ মেট্রিকটন ধান ও সাড়ে ৩ মেট্রিকটন চাল

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদামের আটটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় মোট ৫২১ মেট্রিকটন ধান ও সাড়ে তিন মেট্রিকটনের বেশি চাল পাওয়া যায়নি। এর সঠিক হিসাবও দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে গোডাউনে মজুদ থাকা বেশিরভাগ চালই পোকা ধরা ও খাবার অনুপযোগী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয়, গুদামের খাদ্যশস্য অন্য জায়গায় বিক্রয়পূর্বক অর্থ আত্মসাৎ ইত্যাদি অভিযোগে আজ জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালানো হয়েছে। আমাদের সঙ্গে এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসিএলএসডি উপস্থিত ছিলেন।
সাবদারুল ইসলাম বলেন, আমরা আটটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে চারটিতে মোট এক হাজার ১৭৬ বস্তা চাল কম পেয়েছি। খাদ্য গুদামের সাত নম্বর গোডাউনে থাকার কথা ছিল ৭২১ মেট্রিক ধান। তবে আমরা পেয়েছি ১৯০ মেট্রিকটন। বাকি ৫২১ মেট্রিক টন ধানের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এছাড়া চালের বস্তার স্তূপে বেশিরভাগ পোকা ধরা ও খাদ্য অনুপযোগী চাল পাওয়া গেছে।
তবে গুদাম কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মিলারদের কাছে ধান ডেলিভারি করেছে। তবে তারা রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোনো প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি।
এসব বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হককে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

গুদাম থেকে গায়েব ৫২১ মেট্রিকটন ধান ও সাড়ে ৩ মেট্রিকটন চাল

আপডেট টাইম : ০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদামের আটটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় মোট ৫২১ মেট্রিকটন ধান ও সাড়ে তিন মেট্রিকটনের বেশি চাল পাওয়া যায়নি। এর সঠিক হিসাবও দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে গোডাউনে মজুদ থাকা বেশিরভাগ চালই পোকা ধরা ও খাবার অনুপযোগী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয়, গুদামের খাদ্যশস্য অন্য জায়গায় বিক্রয়পূর্বক অর্থ আত্মসাৎ ইত্যাদি অভিযোগে আজ জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালানো হয়েছে। আমাদের সঙ্গে এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসিএলএসডি উপস্থিত ছিলেন।
সাবদারুল ইসলাম বলেন, আমরা আটটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে চারটিতে মোট এক হাজার ১৭৬ বস্তা চাল কম পেয়েছি। খাদ্য গুদামের সাত নম্বর গোডাউনে থাকার কথা ছিল ৭২১ মেট্রিক ধান। তবে আমরা পেয়েছি ১৯০ মেট্রিকটন। বাকি ৫২১ মেট্রিক টন ধানের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এছাড়া চালের বস্তার স্তূপে বেশিরভাগ পোকা ধরা ও খাদ্য অনুপযোগী চাল পাওয়া গেছে।
তবে গুদাম কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মিলারদের কাছে ধান ডেলিভারি করেছে। তবে তারা রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোনো প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি।
এসব বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হককে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।