ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

কৃষকের গর্ব

আমি জন্মেছি কৃষকের ভাঙ্গা কুটিরে
এক কৃষাণীর ছোট্ট উদরে দিয়ে মই
যন্ত্রনায় কাতর করেছি তারে
হালচাষ করেছি সেথায় বারে বারে।

বাবা টেনেছে হুক্কা আঙ্গিনায় বসে
পায়ের উপর তুলে পা সন্ন্যাসী বেশে
কোন এক প্রভাতি ক্ষণে ঘুরতে এলাম
ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সবুজের দেশে।

গোয়ালের মত সেঁতসেঁত মাটি
রুগ্ন কৃষকের ঘরে আবার শীতল পাটি,
উনুনে শূন্য হাড়ি, ছেঁড়া


কাঁথায় গুটিয়ে গা
তাহাতেই কৃষকের সুখ, বলে কৃষাণী মা।

সকালের পান্তাভাতে শুকনা মরিচের ঝাল
তাহাতেই পাই মজা, কৃষকের গর্ব চিরকাল,
আমার শৈশব পাড়ি গরু-ছাগলের পালে
তপ্ত দুপুরে গোসল দিয়াছি তাদের বুচা মিঞার খালে।

গামছা মাথায় বাধিয়া মহিষের পিঠে
ভাবনায় ভেবেছি রাজকীয় মুকুটে,
ঘুরিয়াছি আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
শমশের ভাবিয়া, কৃষকের লাঠি হাতে।

অভুক্ত মাটির বুকে লাঙ্গলের ফলা
তিক্ত রসিকতায় চিরি, হয়ে উতলা,
ছড়াইয়া সোঁনা মুঠিভরা ফসলের মাঠে
পাকিলে সোঁনা কাটিব তাহা, ভরিবে শূন্য গোলা।

কৃষকের ঘরে জন্ম আমার, গর্ব চিরকাল
আমি কৃষক অন্ন যোগাই ধনীদের তরে,
তারা হাসলেই আমি হাসি খুশিতে খুঁজি,
সুখ আমার কৃষকের ঘরে।
কবি: তারেক হাসান

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

কৃষকের গর্ব

আপডেট টাইম : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৬

আমি জন্মেছি কৃষকের ভাঙ্গা কুটিরে
এক কৃষাণীর ছোট্ট উদরে দিয়ে মই
যন্ত্রনায় কাতর করেছি তারে
হালচাষ করেছি সেথায় বারে বারে।

বাবা টেনেছে হুক্কা আঙ্গিনায় বসে
পায়ের উপর তুলে পা সন্ন্যাসী বেশে
কোন এক প্রভাতি ক্ষণে ঘুরতে এলাম
ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সবুজের দেশে।

গোয়ালের মত সেঁতসেঁত মাটি
রুগ্ন কৃষকের ঘরে আবার শীতল পাটি,
উনুনে শূন্য হাড়ি, ছেঁড়া


কাঁথায় গুটিয়ে গা
তাহাতেই কৃষকের সুখ, বলে কৃষাণী মা।

সকালের পান্তাভাতে শুকনা মরিচের ঝাল
তাহাতেই পাই মজা, কৃষকের গর্ব চিরকাল,
আমার শৈশব পাড়ি গরু-ছাগলের পালে
তপ্ত দুপুরে গোসল দিয়াছি তাদের বুচা মিঞার খালে।

গামছা মাথায় বাধিয়া মহিষের পিঠে
ভাবনায় ভেবেছি রাজকীয় মুকুটে,
ঘুরিয়াছি আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
শমশের ভাবিয়া, কৃষকের লাঠি হাতে।

অভুক্ত মাটির বুকে লাঙ্গলের ফলা
তিক্ত রসিকতায় চিরি, হয়ে উতলা,
ছড়াইয়া সোঁনা মুঠিভরা ফসলের মাঠে
পাকিলে সোঁনা কাটিব তাহা, ভরিবে শূন্য গোলা।

কৃষকের ঘরে জন্ম আমার, গর্ব চিরকাল
আমি কৃষক অন্ন যোগাই ধনীদের তরে,
তারা হাসলেই আমি হাসি খুশিতে খুঁজি,
সুখ আমার কৃষকের ঘরে।
কবি: তারেক হাসান