ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিন: শেখ হাসিনার

সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করতে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী, হোতা ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে বিমসটেক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার ভারতের গোয়ায় বিমসটেকের সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসী এবং তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমাদের অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ ও বেড়ে ওঠা সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় আমাদের সক্ষম হওয়া উচিত।’

ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ব্রিকস-বিমসটেক সম্মেলনের আগে রোববার বিকেলে বিমসটেক নেতাদের রিট্রিটে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে রিট্রিট অনুষ্ঠানে বিমসটেকের অন্যান্য দেশের নেতারাও কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে তার সরকার সন্ত্রাস ও চরমপন্থা দমনে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পরিবারে তরুণদের জন্য ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা দেশীয় সন্ত্রাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে সক্ষম হয়েছি।’

এ সময় শেখ হাসিনা বিমসটেকের সফলতার গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি ঠিক যে, আমাদের উন্নয়নের গতি ধীর, তবে মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন এসব প্রক্রিয়া একত্রিত করার সময় এসেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেককে কীভাবে কার্যকর করা যায় সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। বিমসটেকের অধীনে আমাদের সহযোগিতার ১৪টি ক্ষেত্র রয়েছে; আমি মনে করি আগামী পাঁচ বছরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংযোগ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আমাদের চেষ্টা করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে নিয়মিত কার্যনির্বাহী বৈঠক আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে আঞ্চলিক পরিকল্পনা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এর ফলে এ অঞ্চলে সংস্থাটির স্থিতিশীলতা ও জনগণের কাছে এর দৃশ্যমানতা ফলপ্রসূ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিন: শেখ হাসিনার

আপডেট টাইম : ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৬

সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করতে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী, হোতা ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতে বিমসটেক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার ভারতের গোয়ায় বিমসটেকের সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসী এবং তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমাদের অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ ও বেড়ে ওঠা সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় আমাদের সক্ষম হওয়া উচিত।’

ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ব্রিকস-বিমসটেক সম্মেলনের আগে রোববার বিকেলে বিমসটেক নেতাদের রিট্রিটে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে রিট্রিট অনুষ্ঠানে বিমসটেকের অন্যান্য দেশের নেতারাও কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে তার সরকার সন্ত্রাস ও চরমপন্থা দমনে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পরিবারে তরুণদের জন্য ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা দেশীয় সন্ত্রাসীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে সক্ষম হয়েছি।’

এ সময় শেখ হাসিনা বিমসটেকের সফলতার গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি ঠিক যে, আমাদের উন্নয়নের গতি ধীর, তবে মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন এসব প্রক্রিয়া একত্রিত করার সময় এসেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেককে কীভাবে কার্যকর করা যায় সে বিষয়ে আমাদের পুনরায় পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। বিমসটেকের অধীনে আমাদের সহযোগিতার ১৪টি ক্ষেত্র রয়েছে; আমি মনে করি আগামী পাঁচ বছরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংযোগ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আমাদের চেষ্টা করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে নিয়মিত কার্যনির্বাহী বৈঠক আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে আঞ্চলিক পরিকল্পনা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এর ফলে এ অঞ্চলে সংস্থাটির স্থিতিশীলতা ও জনগণের কাছে এর দৃশ্যমানতা ফলপ্রসূ হবে।