ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ১১ লাখ বাংলাদেশির সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস

ব্লাস্টরোগের কেড়ে নিয়েছে কৃষকের মুখের হাসি

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সাতক্ষীরায় মাঠে মাঠে ধান কাটার উৎসব শুরু হয়েছে। ফসলের বাম্পার ফলন হলেও ব্লাস্ট রোগ কেড়ে নিয়েছে কৃষকের মুখের হাসি। তবে কৃষি অধিদফতর বলছে এ বছর ধানের ভালো দাম রয়েছে, কৃষকরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

মাঠে মাঠে একদিকে চলছে ধান কাটা অন্যদিকে চলছে গাছ থেকে ধান ছাড়ানোর কাজ। এ বছর বোরো আবাদের বাম্পার ফলন হলেও রোগের সংক্রমণ ভাবিয়ে তুলছে কৃষকদের। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন, এ অঞ্চলে সর্বপ্রথম আমি ধান কেটেছি।

১৮ বিঘা জমিতে বেরো আবাদ করেছিলাম। জমিতে বিঘা প্রতি ১৯ মণ করে ধান পেয়েছি। কিন্তু অন্যান্য বছর ২৫-২৬ মণ করে ধান পাই। ব্লাস্ট রোগের কারণে এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও ধান পরিমাণে কম পাওয়া গেছে।

satkhira-paddy

তিনি আরও বলেন, তবে গত বছর থেকে এ বছর ধানের দাম বেশি পেয়েছি। গত বছর ৮শ টাকা মণ প্রতি বিক্রি করলেও এ বছর এক হাজার টাকা বিক্রি করেছি।

কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের কৃষক হাসান আলী বলেন, ধান কাটা শুরু করেছি। অন্য বছরের থোকে এ বছর ধানের ফলন বেশি হলেও পরিমাণে কম পাচ্ছি। ব্লাস্ট রোগে ধান চিটা করে নষ্ট করে দিয়েছে।

তবে জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ির উপ পরিচালক আব্দুল মান্নান জানান ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলায় ৭৬ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি চার টন করে চাল পাওয়া যাবে। কৃষকরা লাভবান হবেন এবার।

ব্লাস্টরোগের ক্ষতি পোষাবে বাজার দর

তিনি বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন বেশি হয়েছে। তাছাড়া কালবৈশাখী ঝড় এবার ধানের খেতে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। আশা করছি আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে কৃষকরা জমি থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে।

ব্লাস্ট রোগে ধানের ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, ব্লাস্ট রোগ খুব বেশি ধানের ক্ষতি করতে পারেনি। রোগ দেখা দেয়া মাত্রই কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহার কারার পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো। ফলে কৃষকরা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তাছাড়া এবার ধানের দামও বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা

ব্লাস্টরোগের কেড়ে নিয়েছে কৃষকের মুখের হাসি

আপডেট টাইম : ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সাতক্ষীরায় মাঠে মাঠে ধান কাটার উৎসব শুরু হয়েছে। ফসলের বাম্পার ফলন হলেও ব্লাস্ট রোগ কেড়ে নিয়েছে কৃষকের মুখের হাসি। তবে কৃষি অধিদফতর বলছে এ বছর ধানের ভালো দাম রয়েছে, কৃষকরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

মাঠে মাঠে একদিকে চলছে ধান কাটা অন্যদিকে চলছে গাছ থেকে ধান ছাড়ানোর কাজ। এ বছর বোরো আবাদের বাম্পার ফলন হলেও রোগের সংক্রমণ ভাবিয়ে তুলছে কৃষকদের। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন, এ অঞ্চলে সর্বপ্রথম আমি ধান কেটেছি।

১৮ বিঘা জমিতে বেরো আবাদ করেছিলাম। জমিতে বিঘা প্রতি ১৯ মণ করে ধান পেয়েছি। কিন্তু অন্যান্য বছর ২৫-২৬ মণ করে ধান পাই। ব্লাস্ট রোগের কারণে এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও ধান পরিমাণে কম পাওয়া গেছে।

satkhira-paddy

তিনি আরও বলেন, তবে গত বছর থেকে এ বছর ধানের দাম বেশি পেয়েছি। গত বছর ৮শ টাকা মণ প্রতি বিক্রি করলেও এ বছর এক হাজার টাকা বিক্রি করেছি।

কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের কৃষক হাসান আলী বলেন, ধান কাটা শুরু করেছি। অন্য বছরের থোকে এ বছর ধানের ফলন বেশি হলেও পরিমাণে কম পাচ্ছি। ব্লাস্ট রোগে ধান চিটা করে নষ্ট করে দিয়েছে।

তবে জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ির উপ পরিচালক আব্দুল মান্নান জানান ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলায় ৭৬ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি চার টন করে চাল পাওয়া যাবে। কৃষকরা লাভবান হবেন এবার।

ব্লাস্টরোগের ক্ষতি পোষাবে বাজার দর

তিনি বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন বেশি হয়েছে। তাছাড়া কালবৈশাখী ঝড় এবার ধানের খেতে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। আশা করছি আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে কৃষকরা জমি থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবে।

ব্লাস্ট রোগে ধানের ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, ব্লাস্ট রোগ খুব বেশি ধানের ক্ষতি করতে পারেনি। রোগ দেখা দেয়া মাত্রই কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহার কারার পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো। ফলে কৃষকরা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তাছাড়া এবার ধানের দামও বেশি।