ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

রক্তশূণ্যতা দূর করে মূলা শাক

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মূলা শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলার চেয়ে এর শাক বেশি উপকারী। এই শাকও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।

মূলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে তার তুলনায় এর শাকে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন-আয়রণ, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, ফসফরাস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

মূলা শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্টকাঠিন্য কমায়, পাকস্থলী ভালো রাখে।

এই শাক আয়রণের জন্য আদর্শ। এটি রক্তশূণ্যতা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মুলা শাকে থাকা আয়রণ এবং ফসফরাস ফাটিগো কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

মূলা শাকের জুস প্রাকৃতিকভাবে ইউরিনারি ব্লাডার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মূলা শাকে অবিশ্বাস্য পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। মূলা শাকে মুলার চেয়ে বেশি এন্টিসারব্যাটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মূলা শাক পাইলসের ব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া পাইলসের প্রদাহ সারাতেও এই শাক ভূমিকা রাখে।

মূলা শাক জন্ডিসের চিকিৎসাতেও ভাল কাজ করে। জন্ডিস হলে এই শাকের জুস যদি প্রতিদিন খাওয়া হয় তাহলে উপকার পাওয়া যায়।

হাঁটুর ব্যথা কমাতে মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য শাক ভালোভাবে পিষে তাতে সম পরিমাণে চিনি আর সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে তা লাগান। তাহলে হাঁটুর ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও মূলা শাক বেশ কার্যকরী । এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সূত্র :  স্টাইলক্রেজ

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

রক্তশূণ্যতা দূর করে মূলা শাক

আপডেট টাইম : ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মূলা শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলার চেয়ে এর শাক বেশি উপকারী। এই শাকও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।

মূলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে তার তুলনায় এর শাকে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন-আয়রণ, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, ফসফরাস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

মূলা শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্টকাঠিন্য কমায়, পাকস্থলী ভালো রাখে।

এই শাক আয়রণের জন্য আদর্শ। এটি রক্তশূণ্যতা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মুলা শাকে থাকা আয়রণ এবং ফসফরাস ফাটিগো কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

মূলা শাকের জুস প্রাকৃতিকভাবে ইউরিনারি ব্লাডার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মূলা শাকে অবিশ্বাস্য পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। মূলা শাকে মুলার চেয়ে বেশি এন্টিসারব্যাটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মূলা শাক পাইলসের ব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া পাইলসের প্রদাহ সারাতেও এই শাক ভূমিকা রাখে।

মূলা শাক জন্ডিসের চিকিৎসাতেও ভাল কাজ করে। জন্ডিস হলে এই শাকের জুস যদি প্রতিদিন খাওয়া হয় তাহলে উপকার পাওয়া যায়।

হাঁটুর ব্যথা কমাতে মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য শাক ভালোভাবে পিষে তাতে সম পরিমাণে চিনি আর সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে তা লাগান। তাহলে হাঁটুর ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও মূলা শাক বেশ কার্যকরী । এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সূত্র :  স্টাইলক্রেজ