ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

রাজধানীর চারপাশে বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন পূর্বাভাস আগেই দেয়া হয়েছিল। লক্ষ করা গেছে, দেশের এক অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অন্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

বস্তুত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেশের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানীর আশপাশের নদ-নদীতেও পানিপ্রবাহ বেড়েছে। রাজধানীর চারদিকে বন্যার পানি থইথই করছে। দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল থেকে নেমে আসা পানি জমা হচ্ছে মধ্যাঞ্চলে।

এখনও রাজধানীর নিম্নাঞ্চলসহ দেশের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। দেশের কোনো কোনো এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সেসব অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নানা রকম রোগ-ব্যাধির প্রকোপ বেড়েছে।

বস্তুত, বালু নদীসহ বুড়িগঙ্গায় পানি বৃদ্ধির কারণেও রাজধানীর চারপাশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এদিকে তুরাগ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কেরানীগঞ্জ ও সাভারের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জানা গেছে, তুরাগের পানি বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়াও প্লাবনের আরেকটি কারণ একটি খালের উপর স্থানীয়দের তৈরি করা অবৈধ বাঁধ। এমন অবৈধ বাঁধ বা অন্য কোনো অবৈধ স্থাপনার কারণে রাজধানী ও এর আশপাশের আর কোনো এলাকার পানি প্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।

দেশের ভেতরে ও বাইরে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি থমকে গেছে। এছাড়া উজান থেকে আবারও বানের পানি নেমে এসে যে কোনো সময় দেশের বিভিন্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।

জানা গেছে, জোয়ারের কারণে সাগরে পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি সাগরে নিষ্কাশন হওয়া কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। বন্যার কারণে বহু লোকের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলও নষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর তাদের দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে জরুরি ভিত্তিতে। যারা বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যা মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর চারপাশে বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে

আপডেট টাইম : ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন পূর্বাভাস আগেই দেয়া হয়েছিল। লক্ষ করা গেছে, দেশের এক অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অন্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

বস্তুত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেশের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানীর আশপাশের নদ-নদীতেও পানিপ্রবাহ বেড়েছে। রাজধানীর চারদিকে বন্যার পানি থইথই করছে। দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল থেকে নেমে আসা পানি জমা হচ্ছে মধ্যাঞ্চলে।

এখনও রাজধানীর নিম্নাঞ্চলসহ দেশের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। দেশের কোনো কোনো এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সেসব অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নানা রকম রোগ-ব্যাধির প্রকোপ বেড়েছে।

বস্তুত, বালু নদীসহ বুড়িগঙ্গায় পানি বৃদ্ধির কারণেও রাজধানীর চারপাশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এদিকে তুরাগ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কেরানীগঞ্জ ও সাভারের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জানা গেছে, তুরাগের পানি বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়াও প্লাবনের আরেকটি কারণ একটি খালের উপর স্থানীয়দের তৈরি করা অবৈধ বাঁধ। এমন অবৈধ বাঁধ বা অন্য কোনো অবৈধ স্থাপনার কারণে রাজধানী ও এর আশপাশের আর কোনো এলাকার পানি প্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।

দেশের ভেতরে ও বাইরে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি থমকে গেছে। এছাড়া উজান থেকে আবারও বানের পানি নেমে এসে যে কোনো সময় দেশের বিভিন্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।

জানা গেছে, জোয়ারের কারণে সাগরে পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি সাগরে নিষ্কাশন হওয়া কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। বন্যার কারণে বহু লোকের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলও নষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর তাদের দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে জরুরি ভিত্তিতে। যারা বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যা মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।