ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ছোট্ট চায়ের দোকান থেকে শতকোটির ব্যবসা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে একটা চায়ের দোকান দিয়েছিলেন তিন বন্ধু মিলে। শুরুতে সবাই ভেবেছিলেন ভীষণ বাজে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই তিনজন। কিন্তু সেই বাজে সিদ্ধান্তই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে তাদের। ছোট্ট চায়ের দোকানে থেকে বছরে শতকোটির ব্যবসা করেছেন তিন বন্ধু।

২০১৬ সালে ভারতের মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে মাত্র ৩ লাখ রুপি বিনিয়োগ করে ওই চায়ের দোকান দেন তিন বন্ধু আনন্দ, রাহুল আর অনুভব দুবে। মাত্র পাঁচ বছরেই তাদের ১৬৫টি আউটলেট থেকে ১০০ কোটি রুপির উপরে ব্যবসা হচ্ছে। ভারত ছাড়াও দুবাইয়ে তাদের শাখা রয়েছে। খুব শিগগিরিই তারা কানাডা আর লন্ডনে শাখা খুলবেন বলে জানিয়েছেন।

‘চায়ে সুত্তা বার’ নামের ওই চেইনশপটি চায়ের দোকান হলেও এখানে স্যান্ডউইচ, পাস্তা, নুডুলসও পাওয়া যায়। সাথে ১০টি ভিন্ন ফ্লেভারের চা তো আছেই। তবে সেখানে ধূমপানের কোনো সুযোগ নেই।

আর তাদের আউটলেটগুলোতে চা পরিবেশন করা হয় মাটির ভাঁড়ে। মৃৎশিল্পীদের যেন কিছুটা সাহায্য হয় এজন্যই এই প্রথা চালু করেছেন বলে ‘চায়ে সুত্তা বার’ এর পরিচালক আনন্দ নায়েক জানিয়েছেন।

তবে তাদের এই শুরুটা এতো সহজ ছিল না বলে জানান আনন্দ। তিনি বলেন, কৃষক বাবার ছেলে হলেও ব্যবসাই করতে চেয়েছিলেন তিনি। এ জন্য প্রথমে তৈরি পোশাকেও ব্যবসাও শুরু করেছিলেন। সেখানে খুব একটা সুবিধা করতে না পেরে চায়ের দোকান দেওয়ার কথা মাথায় আসে।

এদিকে, আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো অনুভবের পরিবারও চেয়েছিল ছেলে বড় সরকারি চাকরিজীবী হোক। এজন্য চাকরির পড়াশুনার শুরু করেছিলেন আনন্দ। কিন্তু আনন্দের পরিকল্পনা শুনে অনুভব চাকরির প্রস্তুতি ছেড়েছুড়ে তার সাথে যোগ দেন। পরিবারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তিনি।  ডেকে নেন আরেক বন্ধু রাহুলকে। তিন বন্ধু মিলে তখন মাত্র তিন লাখ রুপি জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তা দিয়েই শুরু হয় আজকের শতকোটির ব্যবসার প্রথম ধাপ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছোট্ট চায়ের দোকান থেকে শতকোটির ব্যবসা

আপডেট টাইম : ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে একটা চায়ের দোকান দিয়েছিলেন তিন বন্ধু মিলে। শুরুতে সবাই ভেবেছিলেন ভীষণ বাজে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই তিনজন। কিন্তু সেই বাজে সিদ্ধান্তই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে তাদের। ছোট্ট চায়ের দোকানে থেকে বছরে শতকোটির ব্যবসা করেছেন তিন বন্ধু।

২০১৬ সালে ভারতের মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে মাত্র ৩ লাখ রুপি বিনিয়োগ করে ওই চায়ের দোকান দেন তিন বন্ধু আনন্দ, রাহুল আর অনুভব দুবে। মাত্র পাঁচ বছরেই তাদের ১৬৫টি আউটলেট থেকে ১০০ কোটি রুপির উপরে ব্যবসা হচ্ছে। ভারত ছাড়াও দুবাইয়ে তাদের শাখা রয়েছে। খুব শিগগিরিই তারা কানাডা আর লন্ডনে শাখা খুলবেন বলে জানিয়েছেন।

‘চায়ে সুত্তা বার’ নামের ওই চেইনশপটি চায়ের দোকান হলেও এখানে স্যান্ডউইচ, পাস্তা, নুডুলসও পাওয়া যায়। সাথে ১০টি ভিন্ন ফ্লেভারের চা তো আছেই। তবে সেখানে ধূমপানের কোনো সুযোগ নেই।

আর তাদের আউটলেটগুলোতে চা পরিবেশন করা হয় মাটির ভাঁড়ে। মৃৎশিল্পীদের যেন কিছুটা সাহায্য হয় এজন্যই এই প্রথা চালু করেছেন বলে ‘চায়ে সুত্তা বার’ এর পরিচালক আনন্দ নায়েক জানিয়েছেন।

তবে তাদের এই শুরুটা এতো সহজ ছিল না বলে জানান আনন্দ। তিনি বলেন, কৃষক বাবার ছেলে হলেও ব্যবসাই করতে চেয়েছিলেন তিনি। এ জন্য প্রথমে তৈরি পোশাকেও ব্যবসাও শুরু করেছিলেন। সেখানে খুব একটা সুবিধা করতে না পেরে চায়ের দোকান দেওয়ার কথা মাথায় আসে।

এদিকে, আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো অনুভবের পরিবারও চেয়েছিল ছেলে বড় সরকারি চাকরিজীবী হোক। এজন্য চাকরির পড়াশুনার শুরু করেছিলেন আনন্দ। কিন্তু আনন্দের পরিকল্পনা শুনে অনুভব চাকরির প্রস্তুতি ছেড়েছুড়ে তার সাথে যোগ দেন। পরিবারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তিনি।  ডেকে নেন আরেক বন্ধু রাহুলকে। তিন বন্ধু মিলে তখন মাত্র তিন লাখ রুপি জোগাড় করতে পেরেছিলেন। তা দিয়েই শুরু হয় আজকের শতকোটির ব্যবসার প্রথম ধাপ।