ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপহার কেনার আগে যে ৭টি বিষয় মনে রাখা জরুরি চীনে ৩০ দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণমাধ্যম সহযোগিতা সেমিনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা ইমরান খানের বোনকে গ্রেপ্তার, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

বাঁধ যখন মরণ ফাঁদ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  সিলেটের ফেঁঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর ও কয়েকটি গ্রামকে বন্যা থেকে রক্ষায় ২০০৫ সালে কুশিয়ারা নদী ও হাকালুকি হাওরের মাঝখানে বুড়িকিয়ারিতে নির্মাণ করা হয় বাঁধ। এই বাধঁটি এখন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখা উপজেলার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানকার মানুষের অভিযোগ, এ বাঁধের ফলে হাওরের পানি বের হতে না পেরে উল্টো দিকে প্লাবিত করছে গ্রামের পর গ্রাম।দেখা দিয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা।

যে বাঁধ নিয়ে এতো কথা সেই বুড়িকিয়ারি বাঁধ এটি। কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখা উপজেলার মানুষের অভিযোগ, হাকালুকির এই পাড়ে এ বাঁধটি নির্মাণের কারণে হাওরের পানি গিয়ে কুশিয়ারা নদীতে মিশতে পারছেনা। এ কারণে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তিনটি উপজেলা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। তবে নদীর এপাড়ের ফেঁঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দারা বলছেন, বাঁধটি উঠিয়ে দিলে তাদের বাড়িঘর কুশিয়ারায় বিলীন হয়ে যাবে।

ফেঁঞ্চুগঞ্জের সংসদ সদস্য মনে করেন, বাঁধের জন্য নয়, জুড়ি নদীর মুখ ছোট হয়ে যাওয়া এবং কুশিয়ারার তলদেশ ভরাট হওয়ায় হাওরের পানি বের হতে পারছেনা। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাঁধটি ভেঙ্গে দেয়ার জন্য মৌলভীবাজার থেকে চাপ আসছে। বন্যার পানি নামার পর এলাকা ঘুরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চলতি বন্যার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখার পানি জমে আছে বর্ষার শুরু থেকে। বুড়িকিয়ারি বাঁধ দেয়ার আগে এমন অবস্থায় কখনো পড়তে হয়নি বলে দাবি তিন উপজেলার মানুষের।

সূত্র ঃ সময় টিভি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাঁধ যখন মরণ ফাঁদ

আপডেট টাইম : ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  সিলেটের ফেঁঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর ও কয়েকটি গ্রামকে বন্যা থেকে রক্ষায় ২০০৫ সালে কুশিয়ারা নদী ও হাকালুকি হাওরের মাঝখানে বুড়িকিয়ারিতে নির্মাণ করা হয় বাঁধ। এই বাধঁটি এখন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখা উপজেলার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানকার মানুষের অভিযোগ, এ বাঁধের ফলে হাওরের পানি বের হতে না পেরে উল্টো দিকে প্লাবিত করছে গ্রামের পর গ্রাম।দেখা দিয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা।

যে বাঁধ নিয়ে এতো কথা সেই বুড়িকিয়ারি বাঁধ এটি। কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখা উপজেলার মানুষের অভিযোগ, হাকালুকির এই পাড়ে এ বাঁধটি নির্মাণের কারণে হাওরের পানি গিয়ে কুশিয়ারা নদীতে মিশতে পারছেনা। এ কারণে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তিনটি উপজেলা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। তবে নদীর এপাড়ের ফেঁঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দারা বলছেন, বাঁধটি উঠিয়ে দিলে তাদের বাড়িঘর কুশিয়ারায় বিলীন হয়ে যাবে।

ফেঁঞ্চুগঞ্জের সংসদ সদস্য মনে করেন, বাঁধের জন্য নয়, জুড়ি নদীর মুখ ছোট হয়ে যাওয়া এবং কুশিয়ারার তলদেশ ভরাট হওয়ায় হাওরের পানি বের হতে পারছেনা। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাঁধটি ভেঙ্গে দেয়ার জন্য মৌলভীবাজার থেকে চাপ আসছে। বন্যার পানি নামার পর এলাকা ঘুরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চলতি বন্যার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখার পানি জমে আছে বর্ষার শুরু থেকে। বুড়িকিয়ারি বাঁধ দেয়ার আগে এমন অবস্থায় কখনো পড়তে হয়নি বলে দাবি তিন উপজেলার মানুষের।

সূত্র ঃ সময় টিভি