ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপহার কেনার আগে যে ৭টি বিষয় মনে রাখা জরুরি চীনে ৩০ দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণমাধ্যম সহযোগিতা সেমিনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা ইমরান খানের বোনকে গ্রেপ্তার, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

তিন প্রেসিডেন্ট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রয়াত মো. জিল্লুর রহমান,প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদকে ‘কিশোরগঞ্জ জেলার রত্ন’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদকে ‘কিশোরগঞ্জ রত্ন’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে। শহরের গুরুদয়াল কলেজ মাঠ সংলগ্ন নরসুন্দা মুক্তমঞ্চে কিশোরগঞ্জ সম্মিলিত নাগরিক ফোরাম আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের সমাপনী দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে এ পদকে ভূষিত করা হয়। তিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. আসাদ উল্লাহ সম্মাননা পত্র ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ১২জন মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১২জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননা দেয়া হয়। ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন, শহীদ সিরাজুল ইসলাম বীর বিক্রম (মরণোত্তর), শহীদ খায়রুল জাহান বীর প্রতীক (মরণোত্তর), নূরুল ইসলাম খান পাঠান বীর প্রতীক, প্রয়াত এমপি একেএম শামসুল হক গোলাপ মিয়া (মরণোত্তর), প্রয়াত এমপি আশরাফ উদ্দীন মাস্টার (মরণোত্তর), সাবেক এমপি কবির উদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া (মরণোত্তর), মহিউদ্দিন আহমেদ (মরণোত্তর), মো. আব্দুল করিম, একেএম লিয়াকত হোসাইন মানিক (মরণোত্তর), প্রয়াত এমএনএ মোস্তাফিজুর রহমান খান চুন্নু মিয়া (মরণোত্তর) ও রাখালবন্ধু চক্রবর্তী। ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন, আইনশৃঙ্খলায় মো. আনোয়ার হোসেন খান পিপিএম, প্রশাসনে আবু তাহের মোহাম্মদ সাঈদ, শিক্ষায় খালেদা ইসলাম, চিকিৎসায় ডা. মনছুর খলিল (মরণোত্তর), কৃষি ক্ষেত্রে ড. নিয়াজ পাশা, সাংবাদিকতায় মোস্তফা কামাল, আইনপেশায় অ্যাডভোকেট জিন্নাতুল ইসলাম (মরণোত্তর), ব্যবসা বাণিজ্যে বাদল রহমান, সমাজসেবায় হরমোজা মোমতাজ লিলি, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ও লেখক হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম জাহান, সংস্কৃতিতে একতা নাট্য গোষ্ঠী এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে মো. শামছুদ্দিন হায়দার। সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক এনায়েত করিম অমির সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রত্যেকের হাতে একটি করে ক্রেস্ট ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন সংরক্ষিত আসনের এমপি দিলারা বেগম আসমা, জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. আসাদ উল্লাহ, জেলা গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন, বিজয় উৎসব কমিটির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ, সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু, কিশোরগঞ্জ উইম্যান চেম্বারের সভানেত্রী ফাতেমা জোহরা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ক্লোজআপ-ওয়ান শিল্পী কিশোর ও সালমা এবং স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে জান্নাতুন নাঈম পিংকীসহ অন্যরা সংগীত পরিবেশন করেন। হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। এর আগে গত ১৪ই ডিসেম্বর বিকালে বিজয়ের ৪৫ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে ৪৫জন অতিথি বেলুন উড়িয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই বিজয় উৎসবের উদ্বোধন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন প্রেসিডেন্ট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রয়াত মো. জিল্লুর রহমান,প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদকে ‘কিশোরগঞ্জ জেলার রত্ন’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে

আপডেট টাইম : ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদকে ‘কিশোরগঞ্জ রত্ন’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে। শহরের গুরুদয়াল কলেজ মাঠ সংলগ্ন নরসুন্দা মুক্তমঞ্চে কিশোরগঞ্জ সম্মিলিত নাগরিক ফোরাম আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের সমাপনী দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে এ পদকে ভূষিত করা হয়। তিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. আসাদ উল্লাহ সম্মাননা পত্র ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ১২জন মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১২জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননা দেয়া হয়। ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন, শহীদ সিরাজুল ইসলাম বীর বিক্রম (মরণোত্তর), শহীদ খায়রুল জাহান বীর প্রতীক (মরণোত্তর), নূরুল ইসলাম খান পাঠান বীর প্রতীক, প্রয়াত এমপি একেএম শামসুল হক গোলাপ মিয়া (মরণোত্তর), প্রয়াত এমপি আশরাফ উদ্দীন মাস্টার (মরণোত্তর), সাবেক এমপি কবির উদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়া (মরণোত্তর), মহিউদ্দিন আহমেদ (মরণোত্তর), মো. আব্দুল করিম, একেএম লিয়াকত হোসাইন মানিক (মরণোত্তর), প্রয়াত এমএনএ মোস্তাফিজুর রহমান খান চুন্নু মিয়া (মরণোত্তর) ও রাখালবন্ধু চক্রবর্তী। ‘জ্যোতির্ময় কিশোরগঞ্জ’ সম্মাননাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন, আইনশৃঙ্খলায় মো. আনোয়ার হোসেন খান পিপিএম, প্রশাসনে আবু তাহের মোহাম্মদ সাঈদ, শিক্ষায় খালেদা ইসলাম, চিকিৎসায় ডা. মনছুর খলিল (মরণোত্তর), কৃষি ক্ষেত্রে ড. নিয়াজ পাশা, সাংবাদিকতায় মোস্তফা কামাল, আইনপেশায় অ্যাডভোকেট জিন্নাতুল ইসলাম (মরণোত্তর), ব্যবসা বাণিজ্যে বাদল রহমান, সমাজসেবায় হরমোজা মোমতাজ লিলি, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ও লেখক হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম জাহান, সংস্কৃতিতে একতা নাট্য গোষ্ঠী এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে মো. শামছুদ্দিন হায়দার। সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক এনায়েত করিম অমির সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রত্যেকের হাতে একটি করে ক্রেস্ট ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন সংরক্ষিত আসনের এমপি দিলারা বেগম আসমা, জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. আসাদ উল্লাহ, জেলা গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন, বিজয় উৎসব কমিটির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ, সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু, কিশোরগঞ্জ উইম্যান চেম্বারের সভানেত্রী ফাতেমা জোহরা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ক্লোজআপ-ওয়ান শিল্পী কিশোর ও সালমা এবং স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে জান্নাতুন নাঈম পিংকীসহ অন্যরা সংগীত পরিবেশন করেন। হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। এর আগে গত ১৪ই ডিসেম্বর বিকালে বিজয়ের ৪৫ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে ৪৫জন অতিথি বেলুন উড়িয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই বিজয় উৎসবের উদ্বোধন করেন।