ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপহার কেনার আগে যে ৭টি বিষয় মনে রাখা জরুরি চীনে ৩০ দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণমাধ্যম সহযোগিতা সেমিনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা ইমরান খানের বোনকে গ্রেপ্তার, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

সব আসনে আ.লীগের প্রার্থী পাওয়া নিয়ে সন্দেহ গয়েশ্বরের

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘জনগণের’ সরকারের অধীনে হলে সব আসনে সরকারি দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী পাবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বলেছেন, ‘জনগণের সরকার থাকলে আওয়ামী লীগ তিনশ আসনে টিকিট কেনার মতো লোক খুঁজে পাবে না।’ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক নয়, জনগণের সরকার দিতে হবে বলেও দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। ‘জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাইবার দল নামের একটি সংগঠন।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিএনপি-আওয়ামী লীগ বা কোনো দলের সরকার নয়; জনগণের সরকার চাই। যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘অনেক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত কি না? আমি বলবো আমরা নির্বাচনের জন্য সদা প্রস্তুত। চাইলে এখনই ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারবো। তবে শেখ হাসিনার অধীনে আমরা নির্বাচনে যাবো না। ’

নির্বাচন অবশ্যই হবে, তবে শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনাকে বলবো ভুল আমরা করি নাই, আপনি ২০১৪ সালের মতো অপকর্ম আরেকবার করার চেষ্টা করবেন না। আত্মসমর্পণের চেয়ে পরাজয় অনেক গৌরবের, আবার পরাজয়ের চেয়ে মৃত্যু আরও বেশি মর্যাদার। আমাদের মতো কিছু নেতা মৃত্যুবরণ করলেও কিছু হবে না। এই সরকারের পতন করতে আমাদেরকে যদি রাজপথে মৃত্যুবরণ করতে হয় তার জন্যও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার জামায়াতের সাথে নতুন করে আত্মীয়তা করার জন্য জোরেশোরে চেষ্টা করছে। সরকার একদিকে বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার কথা বলছে অন্যদিকে গোপনে জামায়াতের সঙ্গে নতুন করে আত্মীয়তা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা জামায়াতকে বলছে, তোমরা বিএনপির সাথে থাকবে কেন, আমরা আছি না।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েল প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব আসনে আ.লীগের প্রার্থী পাওয়া নিয়ে সন্দেহ গয়েশ্বরের

আপডেট টাইম : ১২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘জনগণের’ সরকারের অধীনে হলে সব আসনে সরকারি দল আওয়ামী লীগ প্রার্থী পাবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বলেছেন, ‘জনগণের সরকার থাকলে আওয়ামী লীগ তিনশ আসনে টিকিট কেনার মতো লোক খুঁজে পাবে না।’ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক নয়, জনগণের সরকার দিতে হবে বলেও দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। ‘জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাইবার দল নামের একটি সংগঠন।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিএনপি-আওয়ামী লীগ বা কোনো দলের সরকার নয়; জনগণের সরকার চাই। যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘অনেক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত কি না? আমি বলবো আমরা নির্বাচনের জন্য সদা প্রস্তুত। চাইলে এখনই ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারবো। তবে শেখ হাসিনার অধীনে আমরা নির্বাচনে যাবো না। ’

নির্বাচন অবশ্যই হবে, তবে শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনাকে বলবো ভুল আমরা করি নাই, আপনি ২০১৪ সালের মতো অপকর্ম আরেকবার করার চেষ্টা করবেন না। আত্মসমর্পণের চেয়ে পরাজয় অনেক গৌরবের, আবার পরাজয়ের চেয়ে মৃত্যু আরও বেশি মর্যাদার। আমাদের মতো কিছু নেতা মৃত্যুবরণ করলেও কিছু হবে না। এই সরকারের পতন করতে আমাদেরকে যদি রাজপথে মৃত্যুবরণ করতে হয় তার জন্যও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার জামায়াতের সাথে নতুন করে আত্মীয়তা করার জন্য জোরেশোরে চেষ্টা করছে। সরকার একদিকে বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার কথা বলছে অন্যদিকে গোপনে জামায়াতের সঙ্গে নতুন করে আত্মীয়তা করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা জামায়াতকে বলছে, তোমরা বিএনপির সাথে থাকবে কেন, আমরা আছি না।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েল প্রমুখ।