ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা আরও নামল নামল ৭ ডিগ্রিতে, বিপর্যস্ত জনজীবন

কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগে পঞ্চগড়ের সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেশিরভাগ অংশ জুড়েই দেখা মিলছে না সূর্যের। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস। এর ফলে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।

এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ রোববার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

প্রচণ্ড শীতে সমস‍্যায় জেলার খেটে খাওয়া লোকজনের পাশাপাশি নদী কেন্দ্রিক পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত কয়েক হাজার পাথর শ্রমিক। ঠাণ্ডার কারণে নদীতে নামতে না পারায় পরিবারগুলোতে দেখা দিয়েছে আর্থিক সংকট।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন আবহাওয়ার এই অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা আরও নামল নামল ৭ ডিগ্রিতে, বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট টাইম : ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগে পঞ্চগড়ের সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেশিরভাগ অংশ জুড়েই দেখা মিলছে না সূর্যের। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস। এর ফলে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।

এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ রোববার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

প্রচণ্ড শীতে সমস‍্যায় জেলার খেটে খাওয়া লোকজনের পাশাপাশি নদী কেন্দ্রিক পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত কয়েক হাজার পাথর শ্রমিক। ঠাণ্ডার কারণে নদীতে নামতে না পারায় পরিবারগুলোতে দেখা দিয়েছে আর্থিক সংকট।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন আবহাওয়ার এই অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।