ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

আমানতের মালিক নয়, চৌকিদার হতে চাই : ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের আমানতের মালিক নয়, চৌকিদার হতে চান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, মানুষের টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করার আমাদের কোনো ইচ্ছে নেই। যদি আপনারা বিশ্বাস করে আপনাদের আমানত আমাদের কাছে দেন, তাহলে আগামী ৫টি বছর চৌকিদার হয়ে তা রক্ষা করতে চাই। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা মালিক হবো না, চৌকিদার হবো।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা-৭ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং ডাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও আসন পরিচালক আব্দুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বলছেন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, তারা নিজেরা আগে ঠিক হোন। বেছে বেছে ঋণখেলাপিদের নিয়ে নির্বাচন করবেন আর দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, এটা হতে পারে না, এটা তামাশা। আপনারা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে ঋণখেলাপিদের বাদ দিন। তাদেরকে বাদ দিয়ে আসুন, তখন জাতি আপনাদেরও মেনে নেবে।

বক্তব্যের একপর্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, যে দল চাঁদা না পেলে নিজের দলের লোকদেরই মেরে ফেলে, সেই দলের সঙ্গে দাঁড়াতে আপনাদের অবশ্যই চিন্তা করা উচিত।

তিনি বলেন, আমরা সময়ের এমন একটা বাস্তবতার সামনে এসে দাঁড়িয়েছি, যখন সময় আমাদের এই বলে ডাকছে যে, তোমরা কি আলোকে বেছে নেবে নাকি অন্ধকার। আলো ও অন্ধকার দুটি পথ আছে। তুমি কোন পথ বেছে নেবে?

যুবকদের উদ্দেশ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দেব না। তাদের হাতে কাজ তুলে দেব, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারে। যুবকরা আমাদের সঙ্গে আছে। তারাই আমাদের অনুপ্রেরণা।

গণভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদির পক্ষে। আর ‘না’ মানে গোলামির পক্ষে। তাহলে আমরা আজাদি চাই, নাকি গোলামি চাই? ‘হ্যাঁ’ মানে নিপীড়িত, মজলুমের পক্ষে। আর ‘না’ হলো অত্যাচারী, চাঁদাবাজি ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। ঘরে ঘরে আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা করব। ইনশাআল্লাহ, ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হবে।

ঢাকা-৭ আসনে ভোট দিয়ে হাজী মো. এনায়েত উল্লাহকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ওল্ড ইজ গোল্ড। সোনা যত পুরাতন হয়, তত খাটি হয়। আমরা পুরান ঢাকাকে আধুনিক বানাবো না, গোল্ড বানাবো। পুরান ঢাকাকে গোল্ড বানাতে আপনারা ভোট দিয়ে এনায়েত উল্লাহকে বিজয়ী করুন।

বক্তব্য শেষে এনায়েত উল্লাহর হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে সব দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

আমানতের মালিক নয়, চৌকিদার হতে চাই : ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট টাইম : ০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

জনগণের আমানতের মালিক নয়, চৌকিদার হতে চান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, মানুষের টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করার আমাদের কোনো ইচ্ছে নেই। যদি আপনারা বিশ্বাস করে আপনাদের আমানত আমাদের কাছে দেন, তাহলে আগামী ৫টি বছর চৌকিদার হয়ে তা রক্ষা করতে চাই। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা মালিক হবো না, চৌকিদার হবো।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা-৭ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং ডাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও আসন পরিচালক আব্দুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বলছেন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, তারা নিজেরা আগে ঠিক হোন। বেছে বেছে ঋণখেলাপিদের নিয়ে নির্বাচন করবেন আর দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়বেন, এটা হতে পারে না, এটা তামাশা। আপনারা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে ঋণখেলাপিদের বাদ দিন। তাদেরকে বাদ দিয়ে আসুন, তখন জাতি আপনাদেরও মেনে নেবে।

বক্তব্যের একপর্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, যে দল চাঁদা না পেলে নিজের দলের লোকদেরই মেরে ফেলে, সেই দলের সঙ্গে দাঁড়াতে আপনাদের অবশ্যই চিন্তা করা উচিত।

তিনি বলেন, আমরা সময়ের এমন একটা বাস্তবতার সামনে এসে দাঁড়িয়েছি, যখন সময় আমাদের এই বলে ডাকছে যে, তোমরা কি আলোকে বেছে নেবে নাকি অন্ধকার। আলো ও অন্ধকার দুটি পথ আছে। তুমি কোন পথ বেছে নেবে?

যুবকদের উদ্দেশ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দেব না। তাদের হাতে কাজ তুলে দেব, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারে। যুবকরা আমাদের সঙ্গে আছে। তারাই আমাদের অনুপ্রেরণা।

গণভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদির পক্ষে। আর ‘না’ মানে গোলামির পক্ষে। তাহলে আমরা আজাদি চাই, নাকি গোলামি চাই? ‘হ্যাঁ’ মানে নিপীড়িত, মজলুমের পক্ষে। আর ‘না’ হলো অত্যাচারী, চাঁদাবাজি ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। ঘরে ঘরে আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা করব। ইনশাআল্লাহ, ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হবে।

ঢাকা-৭ আসনে ভোট দিয়ে হাজী মো. এনায়েত উল্লাহকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ওল্ড ইজ গোল্ড। সোনা যত পুরাতন হয়, তত খাটি হয়। আমরা পুরান ঢাকাকে আধুনিক বানাবো না, গোল্ড বানাবো। পুরান ঢাকাকে গোল্ড বানাতে আপনারা ভোট দিয়ে এনায়েত উল্লাহকে বিজয়ী করুন।

বক্তব্য শেষে এনায়েত উল্লাহর হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে সব দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে।