ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা দিতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা সেই তাহসিন মোদির আমন্ত্রণ রিভিউ করছে ঢাকা বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন কৃষকের ‘কপাল পুড়িয়ে’ ভেকু দিয়ে খাল খনন খাদ্য নিরাপত্তা-কৃষকের স্বার্থে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে

স্ট্রবেরির বাণিজ্যক চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

মৌসুমী ফল হিসেবে কদর রয়েছে বিদেশি জাতের স্ট্রবেরির। চাহিদা ভালো থাকায় জয়পুরহাটের চাষীরা স্ট্রবেরি চাষে ঝুঁকছেন। ফলন আর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসল থেকে সরে আসছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফলের বাজার নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভোরের আলো ফুটতেই এখানকার সড়কের দুই পাশে সারি সারি স্ট্রবেরি বাগানে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। লাল স্ট্রবেরি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ও বাজারদর- দুটো নিয়েই মুখে হাসি ফুটেছে তাদের।

মূলত, অন্যান্য ফসলের তুলনায় স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দু লাখ টাকা খরচেই কৃষক আয় করছেন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্বল্প সময়েই খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ ঘরে তুলছেন কৃষক।

এদিকে, স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় জয়পুরহাটের স্ট্রবেরির চাহিদা এখন দেশজুড়ে। অনেকে বাগান থেকেই তাজা স্ট্রবেরি কিনে নিচ্ছেন। পাইকারদের হাত ধরে এই স্ট্রবেরি পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। পাইকারিতে মানভেদে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪শ’ টাকা। আর খুচরায় মিলছে ৫ থেকে ৬শ টাকাতেই।

এই সাফল্যের মাঝেও কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে কৃষকদের মনে। স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফল নিয়ে তাদের পাইকারদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, লাভজনক এই ফল চাষে কৃষকের পাশে আছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার জেলায় ১৩ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় এ বছর জেলায় স্ট্রবেরি চাষ অনেকটা বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন আমরা আশা করছি। বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। এই চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে কৃষকদের জন্য আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি।’

সব মিলিয়ে এ জেলায় এ বছর ১২ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান

স্ট্রবেরির বাণিজ্যক চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

মৌসুমী ফল হিসেবে কদর রয়েছে বিদেশি জাতের স্ট্রবেরির। চাহিদা ভালো থাকায় জয়পুরহাটের চাষীরা স্ট্রবেরি চাষে ঝুঁকছেন। ফলন আর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসল থেকে সরে আসছেন। তবে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফলের বাজার নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভোরের আলো ফুটতেই এখানকার সড়কের দুই পাশে সারি সারি স্ট্রবেরি বাগানে শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। লাল স্ট্রবেরি উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ও বাজারদর- দুটো নিয়েই মুখে হাসি ফুটেছে তাদের।

মূলত, অন্যান্য ফসলের তুলনায় স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে। বিঘা প্রতি দেড় থেকে দু লাখ টাকা খরচেই কৃষক আয় করছেন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্বল্প সময়েই খরচের প্রায় দ্বিগুণ লাভ ঘরে তুলছেন কৃষক।

এদিকে, স্বাদ ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় জয়পুরহাটের স্ট্রবেরির চাহিদা এখন দেশজুড়ে। অনেকে বাগান থেকেই তাজা স্ট্রবেরি কিনে নিচ্ছেন। পাইকারদের হাত ধরে এই স্ট্রবেরি পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। পাইকারিতে মানভেদে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪শ’ টাকা। আর খুচরায় মিলছে ৫ থেকে ৬শ টাকাতেই।

এই সাফল্যের মাঝেও কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে কৃষকদের মনে। স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পচনশীল এই ফল নিয়ে তাদের পাইকারদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, লাভজনক এই ফল চাষে কৃষকের পাশে আছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার জেলায় ১৩ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় এ বছর জেলায় স্ট্রবেরি চাষ অনেকটা বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন আমরা আশা করছি। বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। এই চাষে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে কৃষকদের জন্য আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি।’

সব মিলিয়ে এ জেলায় এ বছর ১২ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে।