ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের বিবেচনার বাইরে উদ্ভাবিত যেকোনো ‘অস্পষ্ট ব্যবস্থা’ বা সমান্তরাল পথের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা যাবে না। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থা এক্সে এক পোস্টে এ কথা বলেন।
কাজেম গরিবাবাদি লেখেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সমুদ্রপথে যাতায়াতের যেকোনো বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো অবশ্যই তেহরানের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হতে হবে।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অস্পষ্ট ব্যবস্থা, সমান্তরাল পথ অথবা উপকূলবর্তী রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের বিবেচনার বাইরে গিয়ে যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা যাবে না।
কাজেম গরিবাবাদি সতর্ক করে বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে যেকোনো পূর্বনির্ধারিত সমান্তরাল পথ স্থগিত করা হবে।
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমায় অবস্থিত। এই জলপথ দিয়ে নৌযান চলাচলের ব্যবস্থাপনা সমঝোতা স্মারকের ৫নং অনুচ্ছেদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) এক যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে জলপথটি দিয়ে ‘মুক্ত, শর্তহীন ও অবাধ নৌযান চলাচলের’ ওপর জোর দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্র-জিসিসির বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালির ওপর ‘যেকোনো ধরনের টোল, মাশুল বা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকেও’ প্রত্যাখ্যান করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকটি উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের পর ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























