ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফেরার আহ্বান সুচির

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি।

তিনি জানান, এ জন্য তিনি একটি কমিটি গঠন করেছেন। ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজ ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স নামে ওই কমিটি রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, পুনর্বাসন এবং স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এ জন্য দেশি এবং বিদেশিদের সহায়তা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত এক ভাষণে অং সান সুচি এ আহ্বান জানান।
মিয়ানমারের এই নেত্রী জাতীয় সমস্যার সময় দেশবাসীর একতা কামনা করেন।

সুচি বলেন, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে কেউই আমাদের দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করেননি।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছি, তা কেউই বোঝার চেষ্টার করেনি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের উন্নয়ন এবং আমাদের চাহিদা কী, তা আমাদের চেয়ে অন্যরা কেউ তা ভালো বুঝবে না।

রাখাইন রাজ্যে অনেক কিছু করার আছে উল্লেখ করে সুচি বলেন, সমালোচনা আর পাল্টা অভিযোগ না তুলে আমরা করে দেখাতে চাই। রাখাইন রাজ্যে অনেক কিছুই করার আছে।

অং সান সুচি বিভিন্ন দেশের সমালোচনার জবাব দিলেও নিজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ-আরসা)একযোগে ৩০টি পুলিশ ও সেনাছাউনিতে হামলা চালালে শতাধিক লোক নিহত হয়। এসময় সরকারি বাহিনীর ১২ জন সদস্যও নিহত হন। এরপর সরকারি বাহিনীর নৃশংসতার কারণে প্রায় সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যদিও এ কারণে চার শতাধিক লোকের প্রাণহানির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া পালাতে গিয়ে নৌকাডুবিতে অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থীর মারা যান।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর এ পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।

জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে ‘জাতিগত নির্মূল’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং এ ঘটনা পাঠ্যবইতে লেখা থাকবে বলে উল্লেখ করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফেরার আহ্বান সুচির

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি।

তিনি জানান, এ জন্য তিনি একটি কমিটি গঠন করেছেন। ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজ ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স নামে ওই কমিটি রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, পুনর্বাসন এবং স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এ জন্য দেশি এবং বিদেশিদের সহায়তা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত এক ভাষণে অং সান সুচি এ আহ্বান জানান।
মিয়ানমারের এই নেত্রী জাতীয় সমস্যার সময় দেশবাসীর একতা কামনা করেন।

সুচি বলেন, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে কেউই আমাদের দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করেননি।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছি, তা কেউই বোঝার চেষ্টার করেনি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের উন্নয়ন এবং আমাদের চাহিদা কী, তা আমাদের চেয়ে অন্যরা কেউ তা ভালো বুঝবে না।

রাখাইন রাজ্যে অনেক কিছু করার আছে উল্লেখ করে সুচি বলেন, সমালোচনা আর পাল্টা অভিযোগ না তুলে আমরা করে দেখাতে চাই। রাখাইন রাজ্যে অনেক কিছুই করার আছে।

অং সান সুচি বিভিন্ন দেশের সমালোচনার জবাব দিলেও নিজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ-আরসা)একযোগে ৩০টি পুলিশ ও সেনাছাউনিতে হামলা চালালে শতাধিক লোক নিহত হয়। এসময় সরকারি বাহিনীর ১২ জন সদস্যও নিহত হন। এরপর সরকারি বাহিনীর নৃশংসতার কারণে প্রায় সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যদিও এ কারণে চার শতাধিক লোকের প্রাণহানির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া পালাতে গিয়ে নৌকাডুবিতে অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থীর মারা যান।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর এ পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।

জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে ‘জাতিগত নির্মূল’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং এ ঘটনা পাঠ্যবইতে লেখা থাকবে বলে উল্লেখ করেছে।