ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

কেন খাবেন ডিম

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। ডিম খেতে পছন্দ করেন না এরকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। তারপরও যারা ডিম খেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তাদের মনে ‘ডিম কেন খাবো’ এমন প্রশ্ন সারাক্ষণই উঁকি দেয়। অপরদিকে যারা নিয়মিত ডিম খেতে পছন্দ করেন তারাও মনে মনে ভাবেন দিনে কয়টা ডিম খাওয়া উচিত বা ডিমের কোন অংশটা খাওয়া উচিত।

ডিম সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার হলেও এর পরিমাণ বেশি হলেও বিপত্তি হতে পারে। আবার ডিম একেবারেও না খেলেও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ঘাটতি থাকে।

অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই প্রতিদিন ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। আবার যদিও খান, তবে সেটা বড়জোর ডিমের সাদা অংশ।

ডিমের সাদা অংশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ভীত থাকলে চলবে না, তবে কুসুমসহ খুব বেশি ডিম না খাওয়াটাই উচিত। সব থেকে ভালো প্রোটিনের উৎস ডিম। এতে ন’টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি ভালো মতো থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলেও একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ডিম ক্ষেতে হবে।’

এ ক্ষেত্রে কম তেল বা পানির ব্যবহার করে ডিম রান্না করা যায় অথবা সিদ্ধও ডিমও খাওয়া যেতে পারে।

ডিমের কুসুম

একটা ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল মাত্রা (১৫০-২০০ মিগ্রা)। আর এতটুকু মাত্রার কারণে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে তেমন বাড়ায় না। প্রতিদিন একটি ডিমের কুসুম খেতে পারলে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। শক্তির উৎসও হিসেবে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের গুণাগুণ

১. পরিমিত ক্যালরি কথা মাথায় রেখে সাদা ডিম খায়া ভালো। পরিমিত শক্তি পেতে হলে সকালের নাস্তায় কুসুমসহ অন্তত একটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমের সাদা অংশে ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। আর কুসুমসহ ৩.৬ গ্রাম। তাই ওজন ঝরাতে সাদা অংশ ভালো এবং এনার্জি পেতে হলে ডিমের কুসুম খাওয়া ভালো।

২. শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন থাকে।

৩. হাড় সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফসফরাস ডিমে রয়েছে।

৪. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করতে রক্তকোষ গঠনে সহায়ক ফোলেট রয়েছে। ডিমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ক্যালিয়াম শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

প্রতিদিন কুসুমসহ একটা ডিম, অথবা দুই বা তিনটা খেতে চাইলে বাকিগুলো কুসুম ছাড়া খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

কেন খাবেন ডিম

আপডেট টাইম : ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। ডিম খেতে পছন্দ করেন না এরকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। তারপরও যারা ডিম খেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তাদের মনে ‘ডিম কেন খাবো’ এমন প্রশ্ন সারাক্ষণই উঁকি দেয়। অপরদিকে যারা নিয়মিত ডিম খেতে পছন্দ করেন তারাও মনে মনে ভাবেন দিনে কয়টা ডিম খাওয়া উচিত বা ডিমের কোন অংশটা খাওয়া উচিত।

ডিম সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার হলেও এর পরিমাণ বেশি হলেও বিপত্তি হতে পারে। আবার ডিম একেবারেও না খেলেও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ঘাটতি থাকে।

অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই প্রতিদিন ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। আবার যদিও খান, তবে সেটা বড়জোর ডিমের সাদা অংশ।

ডিমের সাদা অংশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ভীত থাকলে চলবে না, তবে কুসুমসহ খুব বেশি ডিম না খাওয়াটাই উচিত। সব থেকে ভালো প্রোটিনের উৎস ডিম। এতে ন’টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি ভালো মতো থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলেও একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ডিম ক্ষেতে হবে।’

এ ক্ষেত্রে কম তেল বা পানির ব্যবহার করে ডিম রান্না করা যায় অথবা সিদ্ধও ডিমও খাওয়া যেতে পারে।

ডিমের কুসুম

একটা ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল মাত্রা (১৫০-২০০ মিগ্রা)। আর এতটুকু মাত্রার কারণে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে তেমন বাড়ায় না। প্রতিদিন একটি ডিমের কুসুম খেতে পারলে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। শক্তির উৎসও হিসেবে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের গুণাগুণ

১. পরিমিত ক্যালরি কথা মাথায় রেখে সাদা ডিম খায়া ভালো। পরিমিত শক্তি পেতে হলে সকালের নাস্তায় কুসুমসহ অন্তত একটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমের সাদা অংশে ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। আর কুসুমসহ ৩.৬ গ্রাম। তাই ওজন ঝরাতে সাদা অংশ ভালো এবং এনার্জি পেতে হলে ডিমের কুসুম খাওয়া ভালো।

২. শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন থাকে।

৩. হাড় সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফসফরাস ডিমে রয়েছে।

৪. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করতে রক্তকোষ গঠনে সহায়ক ফোলেট রয়েছে। ডিমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ক্যালিয়াম শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

প্রতিদিন কুসুমসহ একটা ডিম, অথবা দুই বা তিনটা খেতে চাইলে বাকিগুলো কুসুম ছাড়া খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।