ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেসব খাবারে মেলে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রোবায়োটিক হলো অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া। এদের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য যে খাবারগুলো খেতে হয় সেগুলো কিন্তু দারুণ স্বাস্থ্যকর। এখানে বিশেষজ্ঞরা এমনই কিছু খাবারের কথা বলেছেন যেগুলো দারুণ পুষ্টিকর। খাবারগুলো একেবারেই সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু ব্যাপক শক্তিশালী।
কালচারড দই : প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতির উৎসের মধ্যে সবচেয়ে ভালোটি হলো দই। এটি তৈরি করতে হয় দুধ দিয়ে, যাকে ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় দই করা হয়। দই কেবল প্রোবায়োটিক নয়, হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। হজম প্রক্রিয়াকেও সুষ্ঠু করে তোলে।
আঁচার : যে কোনো ধরনের আঁচার প্রোবায়োটিক সৃষ্টি করে। কারণ আঁচার গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়। এটি স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করে।
ডার্ক চকলেট : খুব মজার এক খাবার। কে না পছন্দ করেন চকলেট? অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবারের চেয়ে চারগুণ বেশি প্রোবায়োটিক দিতে পারে ডার্ক চকলেট।
ঘোল : অতি পরিচিত এক পানীয়। ঘোল কে না খেয়েছেন? আমরা ঘোলকে উপকারী পানীয় হিসেবেই চিনি। এই ঘোল কিন্তু প্রোবায়োটিকের দারুণ উৎস।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেসব খাবারে মেলে

আপডেট টাইম : ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭
বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রোবায়োটিক হলো অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া। এদের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য যে খাবারগুলো খেতে হয় সেগুলো কিন্তু দারুণ স্বাস্থ্যকর। এখানে বিশেষজ্ঞরা এমনই কিছু খাবারের কথা বলেছেন যেগুলো দারুণ পুষ্টিকর। খাবারগুলো একেবারেই সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু ব্যাপক শক্তিশালী।
কালচারড দই : প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতির উৎসের মধ্যে সবচেয়ে ভালোটি হলো দই। এটি তৈরি করতে হয় দুধ দিয়ে, যাকে ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় দই করা হয়। দই কেবল প্রোবায়োটিক নয়, হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। হজম প্রক্রিয়াকেও সুষ্ঠু করে তোলে।
আঁচার : যে কোনো ধরনের আঁচার প্রোবায়োটিক সৃষ্টি করে। কারণ আঁচার গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়। এটি স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করে।
ডার্ক চকলেট : খুব মজার এক খাবার। কে না পছন্দ করেন চকলেট? অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবারের চেয়ে চারগুণ বেশি প্রোবায়োটিক দিতে পারে ডার্ক চকলেট।
ঘোল : অতি পরিচিত এক পানীয়। ঘোল কে না খেয়েছেন? আমরা ঘোলকে উপকারী পানীয় হিসেবেই চিনি। এই ঘোল কিন্তু প্রোবায়োটিকের দারুণ উৎস।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া