ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ময়মনসিংহে ইষ্টিকুটুমের কলতান

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ময়মনসিংহে গোলাপি ঠোঁটের গাঢ় লাল রঙের চোখ নিয়ে ইষ্টিকুটুম পাখির ডাকে মুখরিত মাঠ-ঘাট-প্রান্তর।জেলার গ্রামাঞ্চলের সর্বত্র গাছ থেকে গাছে আশ্রয় নিয়ে কর্কশ স্বরে ডাকাডাকি করতে শোনা যায় ডানা ও পুচ্ছে কালো রঙসহ দেহের বাকি অংশ সোনালি হলুদ রঙের চোখে স্পষ্ট কালো রেখার ইষ্টিকুটুম পাখি।

জেলার সর্বত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে গেলে সেখানে দেখা মেলে অনেক উঁচু-উঁচু গাছপালা, ঝোপঝাড়, খাল-বিল আর কত পশুপাখি। সবুজে ঢাকা দিগন্ত প্রসারী কৃষিজমি, পুকুরে অপর্যাপ্ত মাছ।

প্রতিটি ঋতুর পরিবর্তন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সহজেই বোঝা যায় ময়মনসিংহের সর্বত্র। ‘ইষ্টিকুটুম’ পাখিদের কলতান ফুটিয়ে তুলেছে গ্রামবাংলার আসল রূপ! ময়মনসিংহের  গাঁয়ের রূপ দেখে মুগ্ধ সকলেই। গ্রামে-গঞ্জে গেলে সেই সব মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর চোখে পড়ে ইষ্টিকুটম পাখি।

তবে, সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মাঠ, গাছপালা, ঝোপ ইত্যাদি ধ্বংস করে, জলাভূমি ভরাট করে শুধু ঘন বসতি আর ঘিঞ্জি বস্তি তৈরি হচ্ছে। অনেকস্থানে গাছপালাহীন, পশুপাখিহীন গ্রামগুলো এখন ছন্দহীন কবিতার মতোই।

ইষ্টকুটুম হলদে রঙের পাখি। পাখিটি বাংলাদেশ,ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা মেলে। কীটপতঙ্গ, ফল ও ফুলের নির্যাস আহার করে প্রকৃতিতে আজো টিকে আছে ইষ্টিকুটুম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ময়মনসিংহে ইষ্টিকুটুমের কলতান

আপডেট টাইম : ১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ময়মনসিংহে গোলাপি ঠোঁটের গাঢ় লাল রঙের চোখ নিয়ে ইষ্টিকুটুম পাখির ডাকে মুখরিত মাঠ-ঘাট-প্রান্তর।জেলার গ্রামাঞ্চলের সর্বত্র গাছ থেকে গাছে আশ্রয় নিয়ে কর্কশ স্বরে ডাকাডাকি করতে শোনা যায় ডানা ও পুচ্ছে কালো রঙসহ দেহের বাকি অংশ সোনালি হলুদ রঙের চোখে স্পষ্ট কালো রেখার ইষ্টিকুটুম পাখি।

জেলার সর্বত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে গেলে সেখানে দেখা মেলে অনেক উঁচু-উঁচু গাছপালা, ঝোপঝাড়, খাল-বিল আর কত পশুপাখি। সবুজে ঢাকা দিগন্ত প্রসারী কৃষিজমি, পুকুরে অপর্যাপ্ত মাছ।

প্রতিটি ঋতুর পরিবর্তন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সহজেই বোঝা যায় ময়মনসিংহের সর্বত্র। ‘ইষ্টিকুটুম’ পাখিদের কলতান ফুটিয়ে তুলেছে গ্রামবাংলার আসল রূপ! ময়মনসিংহের  গাঁয়ের রূপ দেখে মুগ্ধ সকলেই। গ্রামে-গঞ্জে গেলে সেই সব মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর চোখে পড়ে ইষ্টিকুটম পাখি।

তবে, সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মাঠ, গাছপালা, ঝোপ ইত্যাদি ধ্বংস করে, জলাভূমি ভরাট করে শুধু ঘন বসতি আর ঘিঞ্জি বস্তি তৈরি হচ্ছে। অনেকস্থানে গাছপালাহীন, পশুপাখিহীন গ্রামগুলো এখন ছন্দহীন কবিতার মতোই।

ইষ্টকুটুম হলদে রঙের পাখি। পাখিটি বাংলাদেশ,ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা মেলে। কীটপতঙ্গ, ফল ও ফুলের নির্যাস আহার করে প্রকৃতিতে আজো টিকে আছে ইষ্টিকুটুম।