ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

লাদেন হত্যায় হাত ছিল ভারতেরও

শুধু আমেরিকা বা তাদের নৌসেনার সিল টিম সিক্স নয়। আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করতে ভারতও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সাবেক প্রধানের বক্তব্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান এস ডি প্রধান। পাশাপাশি, উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। একটি সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে লাদেন হত্যায় ভারতের ভূমিকার ব্যাপারটা স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করে ভারত ও আমেরিকার সংস্থাগুলি। যেমন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর এমন অনেক ষড়যন্ত্রের কথা আমেরিকা আগাম জানিয়েছে ভারতকে। ২০০৭ সালে সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণের আগেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ভারতকে সতর্ক করেছিল। একইভাবে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ভারতও সাহায্য করেছিল আমেরিকাকে। যা লাদেন হত্যায় সহায়ক হয়েছিল।

কী ছিল সেই তথ্য? প্রধানের স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে ২০০৬-০৭ সালের সেই ঘটনাবলি। তাঁর দাবি, আল কায়েদা ও তালেবানের উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের৷ চেষ্টা করা হত, এই দুই সংগঠনের শীর্ষনেতারা কোথায় কখন যাচ্ছেন, সে বিষয়ে খেয়াল রাখার। সেই সূত্রেই দেখা যায়, ওই বছর দু’বার পাক মাটিতে বৈঠক করেছেন আল কায়েদার তৎকালীন সেকেন্ড ইন কমান্ড আয়মান আল জাওয়াহিরি ও লাদেন ঘনিষ্ঠ তালেবান নেতা মোল্লা ওমর৷ দু’বারই বৈঠকের পর তাঁরা রাওয়ালপিন্ডি যান। সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। ওই দুই জঙ্গি পাকিস্তানে থাকতেন না। সাধারণত তাঁরা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আত্মগোপন করতেন। তাই ভারতীয় গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন, রাওয়ালপিন্ডিতে কোনও শীর্ষনেতার সঙ্গে দেখা করতেই যান জঙ্গি নেতারা। তিনি নিঃসন্দেহে ওসামা বিন লাদেন। প্রধানের দাবি, এরপরই ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি, রাওয়ালপিন্ডি বা তার খুব কাছেই রয়েছে লাদেনের গোপন ডেরা। সেখানেই সন্ধান চালাতে হবে৷ তার জেরেই অ্যাবটাবাদে লাদেনের বাড়ি খুঁজে বের করে অভিযান চালায় আমেরিকা ও তাঁকে হত্যা করে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

লাদেন হত্যায় হাত ছিল ভারতেরও

আপডেট টাইম : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০১৬

শুধু আমেরিকা বা তাদের নৌসেনার সিল টিম সিক্স নয়। আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করতে ভারতও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সাবেক প্রধানের বক্তব্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান এস ডি প্রধান। পাশাপাশি, উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। একটি সংবাদ চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে লাদেন হত্যায় ভারতের ভূমিকার ব্যাপারটা স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করে ভারত ও আমেরিকার সংস্থাগুলি। যেমন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর এমন অনেক ষড়যন্ত্রের কথা আমেরিকা আগাম জানিয়েছে ভারতকে। ২০০৭ সালে সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণের আগেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ভারতকে সতর্ক করেছিল। একইভাবে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে ভারতও সাহায্য করেছিল আমেরিকাকে। যা লাদেন হত্যায় সহায়ক হয়েছিল।

কী ছিল সেই তথ্য? প্রধানের স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে ২০০৬-০৭ সালের সেই ঘটনাবলি। তাঁর দাবি, আল কায়েদা ও তালেবানের উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের৷ চেষ্টা করা হত, এই দুই সংগঠনের শীর্ষনেতারা কোথায় কখন যাচ্ছেন, সে বিষয়ে খেয়াল রাখার। সেই সূত্রেই দেখা যায়, ওই বছর দু’বার পাক মাটিতে বৈঠক করেছেন আল কায়েদার তৎকালীন সেকেন্ড ইন কমান্ড আয়মান আল জাওয়াহিরি ও লাদেন ঘনিষ্ঠ তালেবান নেতা মোল্লা ওমর৷ দু’বারই বৈঠকের পর তাঁরা রাওয়ালপিন্ডি যান। সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। ওই দুই জঙ্গি পাকিস্তানে থাকতেন না। সাধারণত তাঁরা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আত্মগোপন করতেন। তাই ভারতীয় গোয়েন্দারা বুঝতে পারেন, রাওয়ালপিন্ডিতে কোনও শীর্ষনেতার সঙ্গে দেখা করতেই যান জঙ্গি নেতারা। তিনি নিঃসন্দেহে ওসামা বিন লাদেন। প্রধানের দাবি, এরপরই ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি, রাওয়ালপিন্ডি বা তার খুব কাছেই রয়েছে লাদেনের গোপন ডেরা। সেখানেই সন্ধান চালাতে হবে৷ তার জেরেই অ্যাবটাবাদে লাদেনের বাড়ি খুঁজে বের করে অভিযান চালায় আমেরিকা ও তাঁকে হত্যা করে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন