ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন সেচকাজে ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়ে উঠছে মানুষ জামায়াতের লং মার্চের দাবি আর সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখী : চরমোনাই পীর ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাজ্যের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি লেবার নেতা করবিনের ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ব্যালন ডি’অর: সুযোগ থাকলে মেসিকে ১০০ বার ভোট দিতেন জিদান রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ নীতিমালা ঘোষণা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বার্ষিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে।

আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এ নীতিমালা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে শস্য/ফসল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রির্পোটিং ও সিআইবি ইনকোয়্যারির প্রয়োজন পড়বে না।

এখন থেকে এজেন্টরা ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে এজেন্টরা গ্রাহকের নিকট থেকে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক  ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ (ভ্যাট সহ) আদায় করতে পারবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আম লিচুর পাশাপাশি পেয়ারা উৎপাদনে সারা বছর ঋণ পাবে কৃষকরা।

দেশের সব বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে তাদের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৩০% বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব শাখা বা এজেন্টের মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে।

গত অর্থবছরে ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩৪ জনের মাঝে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা লক্ষমাত্রার প্রায় ১০৮ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ নীতিমালা ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০১৬

কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বার্ষিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে।

আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এ নীতিমালা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে শস্য/ফসল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রির্পোটিং ও সিআইবি ইনকোয়্যারির প্রয়োজন পড়বে না।

এখন থেকে এজেন্টরা ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে এজেন্টরা গ্রাহকের নিকট থেকে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক  ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ (ভ্যাট সহ) আদায় করতে পারবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আম লিচুর পাশাপাশি পেয়ারা উৎপাদনে সারা বছর ঋণ পাবে কৃষকরা।

দেশের সব বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে তাদের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৩০% বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব শাখা বা এজেন্টের মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে।

গত অর্থবছরে ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩৪ জনের মাঝে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যা লক্ষমাত্রার প্রায় ১০৮ শতাংশ।