ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

দুই লাখ বাংলাদেশি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসার শঙ্কা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মালয়েশিয়ায় ১২ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ থাকলেও সেখানে বিদেশি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ১০ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। আর সে কারণেই মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি ফেরত আসতে পারেন বলে আশংকা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেরত আসা দক্ষ শ্রকিদরে কোয়ালিটি ধরে যদি অন্য দেশ পাঠানো যায় তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে।

২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছে প্রায় চার লাখ ২৪ হাজার। সে সময় মালয়েশিয়া এইসব কর্মীদের ১১ থেকে ১২ বছর কাজের অনুমতি দিয়েছিল। সম্প্রতি বিদেশী কর্মীদেরর এই মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করেছে সে দেশের সরকার।

গত জুনে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বিদেশি কর্মীদের আটক করতে রোববার থেকে অভিযানে নামে মালয়েশিয়া সরকার। এ অভিযান অব্যাহত থাকলে কমপক্ষে দুই লাখ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরে আসতে হবে বলে ধারণা জনশক্তি রপ্তানিকারকদের।

বায়রা অর্থ সচিব ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ২০০৬-৮ সালে মালয়েশিয়ায় লোক গিয়েছেন প্রায় ৪ লাখ। তার মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লোক দেশে ফেরত এসেছে। আর বাকি যারা সেখানে আছে তার মধ্যে ১০-১৫ ভাগ ফেরত আসতে পারে।

এইসব শ্রমিককের পুর্নাবাসনের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনা করবে বলে জানিছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

প্রভাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, যেহেতু মালয়েশিয়ায় তাদের জন্য শ্রমিক দরকার। সেজন্য তারা শ্রমিক নিতে উৎসাহিত হবে। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে কারণ তাদের ও আমাদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বন্ধন প্রায় এক রকম।

দেশে ফেরত আসলে এসব দক্ষ শ্রমিকদের অন্য কোন দেশে আরও বেশি বেতনে পাঠানো যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

রামরুর প্রকল্প পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেছেন, মার্কেট আরো কোথায় কোথায় আছে, আর কোন কোন জায়গায় চলমান আছে। সেই জায়গাগুলোতে ঐ কোয়ালিটি ধরে যদি ফিরে আসি তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে। এছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতেও এই শ্রমিকরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তারা।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

দুই লাখ বাংলাদেশি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসার শঙ্কা

আপডেট টাইম : ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মালয়েশিয়ায় ১২ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ থাকলেও সেখানে বিদেশি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ১০ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। আর সে কারণেই মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি ফেরত আসতে পারেন বলে আশংকা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেরত আসা দক্ষ শ্রকিদরে কোয়ালিটি ধরে যদি অন্য দেশ পাঠানো যায় তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে।

২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছে প্রায় চার লাখ ২৪ হাজার। সে সময় মালয়েশিয়া এইসব কর্মীদের ১১ থেকে ১২ বছর কাজের অনুমতি দিয়েছিল। সম্প্রতি বিদেশী কর্মীদেরর এই মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করেছে সে দেশের সরকার।

গত জুনে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বিদেশি কর্মীদের আটক করতে রোববার থেকে অভিযানে নামে মালয়েশিয়া সরকার। এ অভিযান অব্যাহত থাকলে কমপক্ষে দুই লাখ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরে আসতে হবে বলে ধারণা জনশক্তি রপ্তানিকারকদের।

বায়রা অর্থ সচিব ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ২০০৬-৮ সালে মালয়েশিয়ায় লোক গিয়েছেন প্রায় ৪ লাখ। তার মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লোক দেশে ফেরত এসেছে। আর বাকি যারা সেখানে আছে তার মধ্যে ১০-১৫ ভাগ ফেরত আসতে পারে।

এইসব শ্রমিককের পুর্নাবাসনের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনা করবে বলে জানিছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

প্রভাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, যেহেতু মালয়েশিয়ায় তাদের জন্য শ্রমিক দরকার। সেজন্য তারা শ্রমিক নিতে উৎসাহিত হবে। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে কারণ তাদের ও আমাদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বন্ধন প্রায় এক রকম।

দেশে ফেরত আসলে এসব দক্ষ শ্রমিকদের অন্য কোন দেশে আরও বেশি বেতনে পাঠানো যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

রামরুর প্রকল্প পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেছেন, মার্কেট আরো কোথায় কোথায় আছে, আর কোন কোন জায়গায় চলমান আছে। সেই জায়গাগুলোতে ঐ কোয়ালিটি ধরে যদি ফিরে আসি তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে। এছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতেও এই শ্রমিকরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তারা।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশন