ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

দুই লাখ বাংলাদেশি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসার শঙ্কা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মালয়েশিয়ায় ১২ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ থাকলেও সেখানে বিদেশি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ১০ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। আর সে কারণেই মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি ফেরত আসতে পারেন বলে আশংকা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেরত আসা দক্ষ শ্রকিদরে কোয়ালিটি ধরে যদি অন্য দেশ পাঠানো যায় তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে।

২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছে প্রায় চার লাখ ২৪ হাজার। সে সময় মালয়েশিয়া এইসব কর্মীদের ১১ থেকে ১২ বছর কাজের অনুমতি দিয়েছিল। সম্প্রতি বিদেশী কর্মীদেরর এই মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করেছে সে দেশের সরকার।

গত জুনে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বিদেশি কর্মীদের আটক করতে রোববার থেকে অভিযানে নামে মালয়েশিয়া সরকার। এ অভিযান অব্যাহত থাকলে কমপক্ষে দুই লাখ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরে আসতে হবে বলে ধারণা জনশক্তি রপ্তানিকারকদের।

বায়রা অর্থ সচিব ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ২০০৬-৮ সালে মালয়েশিয়ায় লোক গিয়েছেন প্রায় ৪ লাখ। তার মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লোক দেশে ফেরত এসেছে। আর বাকি যারা সেখানে আছে তার মধ্যে ১০-১৫ ভাগ ফেরত আসতে পারে।

এইসব শ্রমিককের পুর্নাবাসনের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনা করবে বলে জানিছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

প্রভাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, যেহেতু মালয়েশিয়ায় তাদের জন্য শ্রমিক দরকার। সেজন্য তারা শ্রমিক নিতে উৎসাহিত হবে। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে কারণ তাদের ও আমাদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বন্ধন প্রায় এক রকম।

দেশে ফেরত আসলে এসব দক্ষ শ্রমিকদের অন্য কোন দেশে আরও বেশি বেতনে পাঠানো যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

রামরুর প্রকল্প পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেছেন, মার্কেট আরো কোথায় কোথায় আছে, আর কোন কোন জায়গায় চলমান আছে। সেই জায়গাগুলোতে ঐ কোয়ালিটি ধরে যদি ফিরে আসি তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে। এছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতেও এই শ্রমিকরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তারা।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

দুই লাখ বাংলাদেশি মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসার শঙ্কা

আপডেট টাইম : ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ মালয়েশিয়ায় ১২ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ থাকলেও সেখানে বিদেশি কর্মীদের কাজের সময়সীমা ১০ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। আর সে কারণেই মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি ফেরত আসতে পারেন বলে আশংকা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেরত আসা দক্ষ শ্রকিদরে কোয়ালিটি ধরে যদি অন্য দেশ পাঠানো যায় তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে।

২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছে প্রায় চার লাখ ২৪ হাজার। সে সময় মালয়েশিয়া এইসব কর্মীদের ১১ থেকে ১২ বছর কাজের অনুমতি দিয়েছিল। সম্প্রতি বিদেশী কর্মীদেরর এই মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করেছে সে দেশের সরকার।

গত জুনে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বিদেশি কর্মীদের আটক করতে রোববার থেকে অভিযানে নামে মালয়েশিয়া সরকার। এ অভিযান অব্যাহত থাকলে কমপক্ষে দুই লাখ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরে আসতে হবে বলে ধারণা জনশক্তি রপ্তানিকারকদের।

বায়রা অর্থ সচিব ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ২০০৬-৮ সালে মালয়েশিয়ায় লোক গিয়েছেন প্রায় ৪ লাখ। তার মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লোক দেশে ফেরত এসেছে। আর বাকি যারা সেখানে আছে তার মধ্যে ১০-১৫ ভাগ ফেরত আসতে পারে।

এইসব শ্রমিককের পুর্নাবাসনের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনা করবে বলে জানিছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

প্রভাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, যেহেতু মালয়েশিয়ায় তাদের জন্য শ্রমিক দরকার। সেজন্য তারা শ্রমিক নিতে উৎসাহিত হবে। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে কারণ তাদের ও আমাদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বন্ধন প্রায় এক রকম।

দেশে ফেরত আসলে এসব দক্ষ শ্রমিকদের অন্য কোন দেশে আরও বেশি বেতনে পাঠানো যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

রামরুর প্রকল্প পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেছেন, মার্কেট আরো কোথায় কোথায় আছে, আর কোন কোন জায়গায় চলমান আছে। সেই জায়গাগুলোতে ঐ কোয়ালিটি ধরে যদি ফিরে আসি তাহলেও তার সফলতা পাওয়া যাবে। এছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতেও এই শ্রমিকরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন তারা।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টেলিভিশন