ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বৃষ্টি, বিপাকে বোরো চাষীরা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর দীর্ঘ খরা ও দাবদাহের পর শনিবার দুপুরে (৭ মে) এক পশলা বৃৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

অনেক দিনের পর এই বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ খুশি হলেও বোরো চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

বর্তমানে চিরিরবন্দরে ইরি-বোরো কাটা-মাড়াইয়ের মৌসুম চলছে। ঘন্টাব্যাপী হঠাৎ এই বৃষ্টিপাত শীতল পরশ বুলিয়ে দিয়েছে। কিন্ত বোরো চাষিরা ধান নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছেন। অনেকের শুকাতে দেওয়া ধান ভিজে গেছে। দুদিন এই ধান থাকলে অড়াকুরোদগম হবে। ফলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে।

সাতনালা নালীপাড়ার কৃষক নাজি মদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে স্বস্তি মিলেছে কিন্ত এখন ধান কাটার জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে। বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় ধান কাটা শ্রমিকের দিতে হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

বৃষ্টি, বিপাকে বোরো চাষীরা

আপডেট টাইম : ০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০১৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর দীর্ঘ খরা ও দাবদাহের পর শনিবার দুপুরে (৭ মে) এক পশলা বৃৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

অনেক দিনের পর এই বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ খুশি হলেও বোরো চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

বর্তমানে চিরিরবন্দরে ইরি-বোরো কাটা-মাড়াইয়ের মৌসুম চলছে। ঘন্টাব্যাপী হঠাৎ এই বৃষ্টিপাত শীতল পরশ বুলিয়ে দিয়েছে। কিন্ত বোরো চাষিরা ধান নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছেন। অনেকের শুকাতে দেওয়া ধান ভিজে গেছে। দুদিন এই ধান থাকলে অড়াকুরোদগম হবে। ফলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে।

সাতনালা নালীপাড়ার কৃষক নাজি মদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে স্বস্তি মিলেছে কিন্ত এখন ধান কাটার জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে। বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় ধান কাটা শ্রমিকের দিতে হচ্ছে।