ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

উল্টো ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে

দুর্গাপূজার সময় পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা ভারতে ইলিশের চাহিদা বাড়ে। আর পদ্মার ইলিশ হলে তো কথাই নেই।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরে সেভাবে ভারতে আসছে না বাংলাদেশের ইলিশ। কিন্তু এবার ভারতের ইলিশ খাবে বাংলাদেশের মানুষ।পশ্চিবঙ্গের সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই তলানিতে এসে ঠেকেছে। গত দুই মাসে ভারতের গুজরাট থেকে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশে।

ভারতের মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইলিশ বাংলাদেশি জেলেরাই ধরেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। একধাক্কায় ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই কমে গেছে। পদ্মায় ইলিশের খরা! বিপুল ঘাটতি মেটাতে তাই ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েকদিনে গুজরাটের ভারুচ বন্দর ও হাওড়া পাইকারি মাছ বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ। ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছে।

হাওড়া পাইকারি ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, বাংলাদেশে এবার প্রথম ইলিশ আমরা রপ্তানি করেছি। মূলত এপার থেকে রুই, পারসে, ট্যাংরা ওপারে পাঠাই। কিন্তু বাংলাদেশে এবার ইলিশের ঘাটতি রয়েছে।

সেজন্য হাওড়া বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে।কিন্তু গুজরাটের ইলিশ কেন? এই প্রসঙ্গে সৈয়দ আনোয়ার জানান, এবার গুজরাটে ব্যাপক ইলিশের উৎপাদন হয়েছে। এই মাছের দাম খুব একটা বেশি হয় না। কারণ এতে ডিম থাকে। আর সেই কারণেই গুজরাটের ইলিশ মাছ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে ইলিশের ডিম আলাদাভাবে বিক্রি হয়েছে। এই সব এলাকায় নোনা মাছ খাওয়ারও চল রয়েছে। আর সেই কারণেই আগামী দিনে আরও গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হবে। ১০০ থেকে ১৫০ টন আরও ইলিশ পাঠানো হবে। সেই কথাবার্তাও চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

আমাদের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারে রুপান্তর করা : বিমানমন্ত্রী

উল্টো ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে

আপডেট টাইম : ৪০ মিনিট আগে
দুর্গাপূজার সময় পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা ভারতে ইলিশের চাহিদা বাড়ে। আর পদ্মার ইলিশ হলে তো কথাই নেই।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরে সেভাবে ভারতে আসছে না বাংলাদেশের ইলিশ। কিন্তু এবার ভারতের ইলিশ খাবে বাংলাদেশের মানুষ।পশ্চিবঙ্গের সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই তলানিতে এসে ঠেকেছে। গত দুই মাসে ভারতের গুজরাট থেকে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশে।

ভারতের মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইলিশ বাংলাদেশি জেলেরাই ধরেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। একধাক্কায় ইলিশের উৎপাদন অনেকটাই কমে গেছে। পদ্মায় ইলিশের খরা! বিপুল ঘাটতি মেটাতে তাই ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েকদিনে গুজরাটের ভারুচ বন্দর ও হাওড়া পাইকারি মাছ বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ। ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছে।

হাওড়া পাইকারি ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, বাংলাদেশে এবার প্রথম ইলিশ আমরা রপ্তানি করেছি। মূলত এপার থেকে রুই, পারসে, ট্যাংরা ওপারে পাঠাই। কিন্তু বাংলাদেশে এবার ইলিশের ঘাটতি রয়েছে।

সেজন্য হাওড়া বাজার থেকে ইলিশ পাঠানো হয়েছে।কিন্তু গুজরাটের ইলিশ কেন? এই প্রসঙ্গে সৈয়দ আনোয়ার জানান, এবার গুজরাটে ব্যাপক ইলিশের উৎপাদন হয়েছে। এই মাছের দাম খুব একটা বেশি হয় না। কারণ এতে ডিম থাকে। আর সেই কারণেই গুজরাটের ইলিশ মাছ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে ইলিশের ডিম আলাদাভাবে বিক্রি হয়েছে। এই সব এলাকায় নোনা মাছ খাওয়ারও চল রয়েছে। আর সেই কারণেই আগামী দিনে আরও গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হবে। ১০০ থেকে ১৫০ টন আরও ইলিশ পাঠানো হবে। সেই কথাবার্তাও চলছে।