ঢাকা , শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আজ মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন সকাল নয়টার দিকে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ। তিনি বলেন, ‘আজ শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাপমাত্রা কম থাকলেও মৌলভীবাজারের সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে।’

মৌলভীবাজার জেলা শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম এবং চা বাগানে বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। ঠাণ্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। বিশেষ করে চা-বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালে চা-শ্রমিকদের জীবিকার তাগিদে বের হতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, ‘চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলে শীত মৌসুমে চা-শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের লোকজন বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অন্যান্য বছরের মতো চলতি বছর শীত মৌসুমে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি এখানে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

আপডেট টাইম : ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আজ মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন সকাল নয়টার দিকে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ। তিনি বলেন, ‘আজ শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাপমাত্রা কম থাকলেও মৌলভীবাজারের সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে।’

মৌলভীবাজার জেলা শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম এবং চা বাগানে বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। ঠাণ্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। বিশেষ করে চা-বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালে চা-শ্রমিকদের জীবিকার তাগিদে বের হতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, ‘চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলে শীত মৌসুমে চা-শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের লোকজন বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অন্যান্য বছরের মতো চলতি বছর শীত মৌসুমে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি এখানে।’