ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহবাগে জুলাই যোদ্ধাদের দু’পক্ষের বাকবিতণ্ডা, ছত্রভঙ্গ করলো পুলিশ

রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধকারী ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডার পর তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশ সদস্যরা তাদের শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে তাদের মঞ্চটিও অপসারণ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার থেকে জুলাই যোদ্ধা পরিচয় ধারী একটি পক্ষ শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখে। শুক্রবার বিকেলে জুলাই যোদ্ধাদের আরেকটি পক্ষ অবরোধের বিরোধিতা করলে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সংঘাত এড়াতে পুলিশ উভয়পক্ষকে শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেয়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও জুলাই ঘোষণাপত্র এবং দ্রুত স্থায়ী বিধানে যুক্ত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ‘জুলাই যোদ্ধা সংসদ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম শাহবাগ মোড় অবরোধ করে।

অবরোধের সময় তারা ‘জুলাই নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘জুলাই সনদ দিতে হবে, দিতে হবে’সহ নানা স্লোগান দেয়। অবরোধে শাহবাগ মোড় ও এর আশপাশের সব সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে আজ সন্ধ্যায় পুলিশ সদস্যরা তাদের শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেন।

আন্দোলকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি; শহীদ পরিবার ও আহতদের আজীবন সম্মান; চিকিৎসা, শিক্ষা ও কল্যাণের পূর্ণ নিশ্চয়তা প্রদান করা; শহীদ পরিবার ও আহতদের প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করা; আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও কল্যাণমূলক ব্যয় রাষ্ট্রকে বহন করা; আহত ও শহীদ পরিবারের জন্য আজীবন সম্মানজনক ভাতা নিশ্চিত করা; শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য বিশেষ আইনি সুরক্ষা ও সহায়তা কেন্দ্র গঠন করা; শহীদ ও আহতদের ওপর সংঘটিত দমন-পীড়নের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচারকাজ সম্পন্ন করা এবং একটি স্বাধীন সত্য ও ন্যায় কমিশন গঠন করা।

অবরোধ চলাকালে রবিউল নামে এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুদিন পরপর সড়ক অবরোধ হয়। আর ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

শাহবাগে জুলাই যোদ্ধাদের দু’পক্ষের বাকবিতণ্ডা, ছত্রভঙ্গ করলো পুলিশ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধকারী ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডার পর তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশ সদস্যরা তাদের শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে তাদের মঞ্চটিও অপসারণ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার থেকে জুলাই যোদ্ধা পরিচয় ধারী একটি পক্ষ শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখে। শুক্রবার বিকেলে জুলাই যোদ্ধাদের আরেকটি পক্ষ অবরোধের বিরোধিতা করলে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সংঘাত এড়াতে পুলিশ উভয়পক্ষকে শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেয়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও জুলাই ঘোষণাপত্র এবং দ্রুত স্থায়ী বিধানে যুক্ত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ‘জুলাই যোদ্ধা সংসদ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম শাহবাগ মোড় অবরোধ করে।

অবরোধের সময় তারা ‘জুলাই নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘জুলাই সনদ দিতে হবে, দিতে হবে’সহ নানা স্লোগান দেয়। অবরোধে শাহবাগ মোড় ও এর আশপাশের সব সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে আজ সন্ধ্যায় পুলিশ সদস্যরা তাদের শাহবাগ মোড় থেকে সরিয়ে দেন।

আন্দোলকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি; শহীদ পরিবার ও আহতদের আজীবন সম্মান; চিকিৎসা, শিক্ষা ও কল্যাণের পূর্ণ নিশ্চয়তা প্রদান করা; শহীদ পরিবার ও আহতদের প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করা; আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও কল্যাণমূলক ব্যয় রাষ্ট্রকে বহন করা; আহত ও শহীদ পরিবারের জন্য আজীবন সম্মানজনক ভাতা নিশ্চিত করা; শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য বিশেষ আইনি সুরক্ষা ও সহায়তা কেন্দ্র গঠন করা; শহীদ ও আহতদের ওপর সংঘটিত দমন-পীড়নের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচারকাজ সম্পন্ন করা এবং একটি স্বাধীন সত্য ও ন্যায় কমিশন গঠন করা।

অবরোধ চলাকালে রবিউল নামে এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুদিন পরপর সড়ক অবরোধ হয়। আর ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে।