ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ

বহুল প্রত্যাশিত কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির মধ্যে কৃষক কার্ড প্রদান কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কৃষিকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেছেন, “এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যমান সেবার পাশাপাশি নতুন নতুন সময়োপযোগী সেবা যুক্ত করা হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যে দেশের ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম চালানো হবে। এর পর ধাপে ধাপে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ ও একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নির্বাচিত ২২ হাজার ৬৫ কৃষকের মধ্যে ২০ হাজার ৬৭১ জনই ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে এসব কৃষককে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০ জেলার ১১ উপজেলার ১১টি ব্লকের কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হবে।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প মূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বহুল প্রত্যাশিত কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির মধ্যে কৃষক কার্ড প্রদান কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কৃষিকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেছেন, “এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যমান সেবার পাশাপাশি নতুন নতুন সময়োপযোগী সেবা যুক্ত করা হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যে দেশের ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম চালানো হবে। এর পর ধাপে ধাপে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ ও একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নির্বাচিত ২২ হাজার ৬৫ কৃষকের মধ্যে ২০ হাজার ৬৭১ জনই ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে এসব কৃষককে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০ জেলার ১১ উপজেলার ১১টি ব্লকের কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হবে।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প মূল্যে কৃষিযন্ত্র, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।