ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

বোরো ধান নিয়ে বিপাকে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষক

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ নওগাঁর মান্দায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বরেন্দ্র খ্যাত নিম্ন অঞ্চলের কৃষকরা। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকের ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। আবার অনেকেই ধান কাটার পরেও মাড়াইয়ের কাজ করতে পারছেন না।

বাবুল হোসেন, আবদুল করিমসহ অনেক স্থানীয় কৃষক জানান, বৃষ্টির পানিতে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার শিবনদী এলাকায় পানি বেড়ে বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। শিবনদী সংলগ্ন মান্দার বিলসহ চৌবাড়িয়ার আশেপাশে, ঘোনা, কুরকুচি, শালদহ, রুয়াই ও শঙ্করপুর এলাকার অনেক ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

শিবনদী সংলগ্ন বিল ধারের ফসল এখন পানির নিচে। শ্রমিক সংকটের কারণে বিলের উঁচু এলাকার জমির ধানও কাটতে পারছেন না কৃষকরা। তবে কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার ধান কেটে নৌকাযোগে বাঁধে নিয়ে এসে মাড়াই করছেন। আবার যেসব স্থানের কৃষকের ধান পুরোপুরি তলিয়ে গেছে তারা ফসলের আশা ছেড়েই দিয়েছেন। সোনার ফসল হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

তার ওপর গত শুক্রবার সকালে কালবৈশাখীর ভারী বর্ষনে অনেকেই ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। যেমন- কুরকুচি গ্রামের কৃষক নূর মোহাম্মদ মৃধা। তার প্রায় চার বিঘা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। এমন কৃষক একজন নয়, বহু।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

বোরো ধান নিয়ে বিপাকে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষক

আপডেট টাইম : ১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ নওগাঁর মান্দায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বরেন্দ্র খ্যাত নিম্ন অঞ্চলের কৃষকরা। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকের ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। আবার অনেকেই ধান কাটার পরেও মাড়াইয়ের কাজ করতে পারছেন না।

বাবুল হোসেন, আবদুল করিমসহ অনেক স্থানীয় কৃষক জানান, বৃষ্টির পানিতে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার শিবনদী এলাকায় পানি বেড়ে বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। শিবনদী সংলগ্ন মান্দার বিলসহ চৌবাড়িয়ার আশেপাশে, ঘোনা, কুরকুচি, শালদহ, রুয়াই ও শঙ্করপুর এলাকার অনেক ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

শিবনদী সংলগ্ন বিল ধারের ফসল এখন পানির নিচে। শ্রমিক সংকটের কারণে বিলের উঁচু এলাকার জমির ধানও কাটতে পারছেন না কৃষকরা। তবে কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার ধান কেটে নৌকাযোগে বাঁধে নিয়ে এসে মাড়াই করছেন। আবার যেসব স্থানের কৃষকের ধান পুরোপুরি তলিয়ে গেছে তারা ফসলের আশা ছেড়েই দিয়েছেন। সোনার ফসল হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

তার ওপর গত শুক্রবার সকালে কালবৈশাখীর ভারী বর্ষনে অনেকেই ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। যেমন- কুরকুচি গ্রামের কৃষক নূর মোহাম্মদ মৃধা। তার প্রায় চার বিঘা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। এমন কৃষক একজন নয়, বহু।